kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ নভেম্বর ২০১৯। ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

তাঁদের চোখে বার্গম্যান

১২ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



তাঁদের চোখে বার্গম্যান

একই সঙ্গে চলচ্চিত্রকে রহস্যময়, রঙিন আর বীভত্স করে তোলার যে গুণ তাঁর ছিল এককথায় তা অভাবনীয়। প্রাচীন চারণদের মতোই তিনি গল্প বলে, গান গেয়ে, গিটার বাজিয়ে, কবিতা আবৃত্তি করে দর্শক ধরে রাখতে পারেন।

ফেদেরিকো ফেলিনি

 

সিনেমা কোনো দলগত কাজ নয়। কেউ একজন বরাবরই একা। যেমন সাদা কাগজের সামনে, তেমনি সেটেও। আর বার্গম্যানের কাছে একা হওয়া মানেই প্রশ্ন করা, আর ছবি বানানো হচ্ছে সেগুলোর জবাব দেওয়া।

জঁ লুক গদার

 

পঞ্চাশের দশকে মাঝামাঝি ‘দ্য  সেভেন্থ সিল’ দেখার পর থেকেই আমি তাঁর বড় ভক্ত। ৩০ বছর আগের বার্গম্যান আর আজকের বার্গম্যান অবশ্য এক নয়। তাঁর স্টাইলকে তিনি চেম্বার মিউজিকের মতোই বাহুল্যবর্জিত করে তুলেছেন। তবে বড় পরিসরে গল্পও তিনি সামাল দিতে পারেন। ‘ফানি অ্যান্ড আলেকজান্ডার’ তার উদাহরণ। বিপরীত মেরুতে অবস্থান করছে ‘সিনস ফ্রম আ ম্যারেজ’। দুজন মানুষ—স্বামী ও স্ত্রীর নিষ্করুণ সমীক্ষা।

সত্যজিৎ রায়

 

তাঁর জীবনবীক্ষা আমাকে ব্যাপকভাবে আলোড়িত করেছিল। অন্য কোনো চলচ্চিত্রকারের কাজ আমাকে এতটা আলোড়িত কখনোই করেনি। নিঃসন্দেহে তিনি বিশ্বের শ্রেষ্ঠতম পরিচালক।

স্ট্যানলি কব্রিক

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা