kalerkantho

সোমবার। ১৯ আগস্ট ২০১৯। ৪ ভাদ্র ১৪২৬। ১৭ জিলহজ ১৪৪০

ফুটবল যখন পর্দায়

বিশ্বজয়ী দলের গল্প থেকে খেলোয়াড়ের বায়োপিক—নানাভাবে ফুটবল এসেছে চলচ্চিত্র পর্দায়। দুনিয়ার নানা প্রান্তের ৮ ছবি নিয়ে লিখেছেন লতিফুল হক

৫ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ফুটবল যখন পর্দায়

আ বেয়ার ফুট ড্রিম

বেন্ড ইট লাইক বেকহাম, যুক্তরাজ্য

২০০০ সাল। ডেভিড বেকহাম জাদুতে মুগ্ধ দুনিয়া। বিশেষ করে তাঁর ফ্রি কিকে অবিশ্বাস্য দক্ষতায় বিস্মিত সবাই। তাদেরই একজন ১৮ বছরের কিশোরী জেসমিন্দর ভার্মা। লন্ডনপ্রবাসী এই পাঞ্জাবি তরুণী বেকহামকে দেখেই ফুটবলের প্রেমে পড়ে। কিন্তু মুশিকল হলো, মেয়ে বলে পরিবার তাকে কিছুতেই খেলতে দেবে না। তা-ও স্থানীয় মহিলা দলে নাম লেখায় মেয়েটি, হয়ে ওঠে সেরাদের একজন। তাঁর স্বপ্ন সত্য করার গল্প নিয়ে ছবিটি সে সময় বেশ সাড়া জাগিয়েছিল। জেসমিন্দর চরিত্র করেছিলেন পারমিন্দর নাগ্রা।

 

এস্কেপ টু ভিক্টরি, যুক্তরাষ্ট্র

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রবাহিনীর সেনাদের বন্দি রাখা হয় জার্মানিতে। তাদের খেলতে বলা হয় পরাক্রমশালী জার্মান দলের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনা নিয়ে নির্মিত ছবিটি ফুটবল নিয়ে তৈরি সেরা ছবিগুলোর একটি। ছবিতে সিলভেস্টার স্ট্যালোন, মাইকেল কেইন যেমন ছিলেন, তেমনি ছিলেন ববি মুর, পেলের মতো ফুটবলারও।

 

ম্যারাডোনা বাই কস্তুরিকা, ফ্রান্স

বিশ্ব ফুটবলে ডিয়েগো ম্যারাডোনা আশ্চর্য এক চরিত্র। অবৈধ সন্তানের গুজব থেকে ড্রাগ—বিচিত্র জীবন। এর মধ্যেও দুনিয়ার সেরা ফুটবলার হয়ে ওঠা থামানো যায়নি। তাঁর অবিশ্বাস্য জীবন নিয়েই এ তথ্যচিত্র, যা নির্মাণ করেছেন নন্দিত সার্ব পরিচালক এমির কস্তুরিকা। ২০০৮ সালে নির্মিত ছবিটি প্রশংসিত হয়েছিল বেশ।

 

অফসাইড, ইরান

ছেলেদের পোশাকে মেয়েরা বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের একটি ম্যাচ দেখতে ঢোকে তেহরানের স্টেডিয়ামে। কিন্তু বিধি বাম! ধরা পড়ে যায় কৌশল। গ্রেপ্তার করা হয় তাদের। কারণ মেয়েদের স্টেডিয়ামে খেলা দেখার অনুমতি নেই। এ ঘটনা নিয়েই জাফর পানাহির ছবি। ‘অফসাইড’-এর গল্প তিনি নিয়েছেন নিজেরই মেয়ের জীবন থেকে, যে মাঠে গিয়ে খেলা দেখতে মরিয়া ছিল। পরিচালকের অন্য ছবির মতো এটিও ইরানে নিষিদ্ধ হয়।

 

দ্য কাপ, ভুটান

১৯৯৯ সালে মুক্তি পাওয়া ভুটানি ছবি, যা দেশটি থেকে জমা পড়েছিল অস্কারেও। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপ ফাইনাল নিয়ে হিমালয়ের এক নির্জন মঠের দুই শিশুর উৎসাহ নিয়ে ছবি। ‘দ্য কাপ’ আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পাওয়া ভুটানের প্রথম ছবিও বটে।

 

লড়াই, ভারত

পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় পরিচালিত ছবিটির গল্প এক মদ্যপ ফুটবল তারকাকে নিয়ে, যে পুরুলিয়ার দুর্গম গ্রামে নিয়ে তরুণদের ফুটবলার হিসেবে গড়ে তোলার চ্যালেঞ্জ নেয়। মূল চরিত্র করেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। ছবিটি বক্স অফিসে ততটা ভালো করতে পারেনি।

 

আ বেয়ার ফুট ড্রিম, কোরিয়া

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক এক ফুটবলার যান পূর্ব তিমুরে। স্থানীয় তরুণদের নিয়ে গড়ে তোলেন আলোচিত এক ফুটবল দল। এই সত্য ঘটনা অবলম্বনে কিম তায়ে-কুয়ানের ছবি। সে সময় কোরিয়ার রেকর্ডসংখ্যক প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল ছবিটি।

 

ডাই মানশ্যাফড, জার্মানি

২০১৪ সালের বিশ্বকাপে অবিশ্বাস্য খেলেছে জার্মানরা। স্বাগতিক ব্রাজিলকে বিধ্বস্ত করেছে ৭-১ গোলে, ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে হয়েছে চ্যাম্পিয়ন। সেই ঘটনা নিয়ে তৈরি এই তথ্যচিত্র। দেশ-বিদেশে বেশ প্রশংসিত হয় চলচ্চিত্রটি।

অফসাইড

 

ম্যারাডোনা বাই কস্তুরিকা

মন্তব্য