kalerkantho

শনিবার । ২৪ আগস্ট ২০১৯। ৯ ভাদ্র ১৪২৬। ২২ জিলহজ ১৪৪০

বিতর্কে কিয়ারা

৫ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিতর্কে কিয়ারা

প্রভাবশালী পাঁচ ভারতীয় পরিচালকের ছোট ছবির সংকলন ‘লাস্ট স্টোরিজ’। ছবিগুলোর অভিনেত্রীদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত কিয়ারা আদভানি। তাঁকে নিয়ে লিখেছেন মামুনুর রশিদ

‘এমএস ধোনি : দ্য আনটোল্ড স্টোরি’তে ধোনির স্ত্রী হয়ে আলো ছড়িয়েছিলেন। এরপর তাঁকে দেখা গেছে দক্ষিণী ছবিতেও। সেখানে মাস কয়েক আগে মুক্তি পাওয়া মহেশ বাবুর সঙ্গে ‘ভারত আনে নেনি’ দুর্দান্ত হিট। তবে কিয়ারা আদভানি সব ছাড়িয়ে গেছেন ‘লাস্ট স্টোরিজ’ দিয়ে। অনলাইন প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সের জন্য নির্মিত হয়েছে ছবিটি।

মুম্বাইয়ের মেয়ে কিয়ারার শুরুটা হয়েছিল বলিউডে। অক্ষয় কুমারের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ফাগলি’ দিয়ে। তাঁর এই কিয়ারা নামটাও অক্ষয়েরই দেওয়া। কিয়ারার আসল নাম আলিয়া। যেহেতু একই নামে আরো একজন অভিনেত্রী আছেন, তাই এই

নামবদল। প্রথম ছবির পর ধোনির বায়োপিকে নজর কাড়লেও সেভাবে ডাক পাচ্ছিলেন না। আরেকটা কারণ পরের ছবি ‘মেশিন’ ডাহা ফ্লপ। যদিও এ ছবি দেখেই নিজের ছবির জন্য কিয়ারাকে নির্বাচন করেন করণ।

এখন নেটফ্লিক্সে স্ট্রিমিং হতে থাকা ‘লাস্ট স্টোরিজ’-এর গল্পগুলো ভারতীয় নারীদের যৌন চাহিদা নিয়ে। চারটি গল্প মিলে ‘লাস্ট স্টোরিজ’। চারটি চার পরিচালকের—অনুরাগ কাশ্যপ, জোয়া আখতার, দিবাকর ব্যানার্জি আর করণ জোহর। ঠিক আগের ‘বম্বে টকিজ’-এ যেমনটা ছিল। করণ জোহরের গল্পটাতে অভিনয় করেন কিয়ারা। মুম্বাইয়ের এক গৃহিণীর অসুখী যৌনজীবন নিয়ে ছবি। এই গল্পের এক দৃশ্যে কিয়ারাকে সেক্স টয় দিয়ে স্বমেহন করতে দেখা গেছে। এটাই জন্ম দিয়েছে সমালোচনার। স্বমেহনের দৃশ্যে লতা মুঙ্গেশকরের গাওয়া ‘কাভি খুশি কাভি গাম’-এর ব্যবহার বিতর্কের আগুনে যেন ঘি ঢেলেছে। তবে এতে যা হয়েছে, ভারতজুড়ে রাতারাতি পরিচয় পেয়েছেন কিয়ারা। ক্যারিয়ারের শুরুতেই করণের মতো প্রভাবশালী পরিচালকের ছবিতে সুযোগ পাওয়াটা বড় করে দেখছেন, ‘তাঁর সঙ্গে সবাই কাজ করতে চায়। এ সুযোগ আমাকে আরো এক ধাপ এগিয়ে দেবে। এটা আমাকে ভারত তো বটেই, সারা দুনিয়াতেই পরিচিত করেছে।’ তাঁর অভিনীত দৃশ্য নিয়ে বিতর্কের জবাবও দিয়েছেন কিয়ারা, ‘একটা সময় হিন্দি ছবিতে চুম্বনের দৃশ্যও বেশ সমালোচিত হতো; কিন্তু এখন তা ডালভাত। তেমনি নারীর যৌন চাহিদার বিষয়টিও ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে উঠবে। এই দৃশ্য করতে কোনো অস্বস্তি হয়নি, কারণ পরিচালকের ওপর আমার পূর্ণ আস্থা ছিল।’

 

মন্তব্য