kalerkantho

রবিবার । ৮ কার্তিক ১৪২৮। ২৪ অক্টোবর ২০২১। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

স্যাটেলাইট

টু ব্রোক গার্লস

তিন বছরে পা দিল \'টু ব্রোক গার্লস\'। দুই নারী ওয়েট্রেসের মজার ঘটনা দিয়ে সাজানো এ সিচুয়েশন কমেডি সিরিজ তৃতীয় সিজনেও সমান জনপ্রিয়। বিস্তারিত জানাচ্ছেন লতিফুল হক

   

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



টু ব্রোক গার্লস

কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করা দুই মেয়ের চেয়েও এ সিরিজের বড় তারকা মাইকেল প্যাট্রিক কিং। সিরিজের দুই নির্মাতার একজন। কিংকে বলা যায় হাসির রাজা। পেনসিলভেনিয়ায় জন্ম নেওয়া কিং আশির দশকে চলে চান নিউ ইয়র্কে। শুরু করেন স্ট্যান্ড আপ কমেডি, লেখেন নাটক। কে জানত যে পরে এ কমেডিই তাঁকে সারা দুনিয়ায় পরিচিতি দেবে। নব্বইয়ের দশকে টিভিতে কিছু কাজ করলেও কিং রাজত্ব শুরু করেন 'সেক্স অ্যান্ড দ্য সিটি' সিরিজ দিয়ে। ২০০৮ ও ২০১০ সালে এ সিরিজের দুই কিস্তি প্যাট্রিক কিংকে ব্যাপক পরিচিত দেয়। বহুল আলোচিত সেই সিরিজ শেষ হওয়ার পর হাত দেন 'টু ব্রোক গার্লস'-এর কাজে। দুই গরিব মেয়ের গল্প নিয়ে হলেও গল্পটা একেবারেই দুঃখ-কষ্ট নিয়ে নয়। সিরিজে দেখানো হয় ২৫ থেকে ২৬ বছরের দুই তরুণীকে। দুজনেই ব্রুকলিন রেস্তোরাঁর ওয়েট্রেস। একজন ম্যাক্স ব্ল্যাক (ক্যাট ডেনিংস) গরিব, খেটে খাওয়া পরিবার থেকে আসা। অন্যজন ক্যারোলিন চেনিংয়ের (বেথ বেরস) পরিবার একসময় বেশ পয়সাওয়ালা হলেও এখন সর্বস্বান্ত। দুজনই স্বপ্ন দেখে টাকা জমিয়ে একদিন নিজেরা কেকের দোকান দেবে। গল্পের আরো দুই গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হলো দোকানের মালিক কোরিয়ান আমেরিকান হ্যান লি এবং পাচক ওলেগ। যারা সব সময়ই দুই ওয়েট্রেসের সঙ্গে খুনসুটিতে মেতে থাকে। নানা মজার কাণ্ডকীর্তি নিয়ে এগিয়ে যায় গল্প। ২০১১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের সিবিএস চ্যানেলে শুরু হয় এ সিরিজ। সিরিজের প্রতি পর্বেরই আলাদা নাম থাকে, যেটা শুরু হয় 'অ্যান্ড' দিয়ে। যেমন 'অ্যান্ড দ্য বিগ বাট', 'অ্যান্ড দ্য এটিএম' প্রভৃতি। প্যাট্রিক কিংয়ের সঙ্গে মূল দুই চরিত্রে অভিনয় করা ক্যাট ডেনিংস ও বেথ বেরসের একটি অদ্ভুত মিল আছে। কাকতালীয়ভাবে তিনজনেরই জন্ম পেনসিলভেনিয়ায়। ক্যাট ডেনিংস টিভি ছাড়াও সিনেমার নিয়মিত মুখ। 'দ্য ফরটি ইয়ার ওল্ড ভার্জিন' ও 'থর' তাঁর ক্যারিয়ারের উল্লেখযোগ্য ছবি। বেথ বেরস সে তুলনায় নতুন। বেশ কয়েকটি টিভি সিরিজে অভিনয় করলেও সিনেমা করেছেন মাত্র একটি। তবে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে দুজনেই বলেছেন 'টু ব্রোক গার্লস'-এর জনপ্রিয়তা তাঁদের ক্যারিয়ারে নতুন করে গতি দেবে। এর মধ্যেই সিরিয়ালটি ২০১২ সালে পিপলস চয়েজ অ্যাওয়ার্ড জিতেছে। একই বছর অ্যামি অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত হলেও ভাগ্যের শিকে ছেঁড়েনি। এত জনপ্রিয়তার মধ্যেও এই সিরিয়াল নিয়ে আছে কিছু বিতর্কও। বিশেষত কৌতুকগুলোতে যৌনতা আর বর্ণবিদ্বেষমূলক কথা থাকায় বিভিন্ন সময়ে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। বেশির ভাগ সমালোচকেরই মত- এ দুই ত্রুটি কাটাতে পারলে জনপ্রিয়তার পাশাপাশি অনেক পুরস্কারও পেত সিরিয়ালটি। 'টু ব্রোক গার্লস' স্টার ওয়ার্ল্ডে দেখা যায় মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টায়।



সাতদিনের সেরা