kalerkantho

শনিবার । ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২৭ নভেম্বর ২০২১। ২১ রবিউস সানি ১৪৪৩

আফজাল হোসেনের

ভালো লাগার পাঁচটি ভালোবাসার নাটক

নতুনদের আইডল রোমান্টিক নায়ক আফজাল হোসেন। তাঁর অভিনীত ভালোবাসার নাটকগুলো আজও সমান জনপ্রিয়। আফজাল হোসেন জানালেন তাঁর পছন্দের পাঁচটি প্রেমের নাটকের কথা

   

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভালো লাগার পাঁচটি ভালোবাসার নাটক

কূল নাই কিনার নাই

মমতাজউদদীন আহমদের নাট্যরূপে নাটকটি প্রযোজনা করেছিলেন মোস্তফা কামাল সৈয়দ। প্রচারিত হয়েছিল বিটিভিতে। আমি ছাড়া আরো ছিলেন আসাদুজ্জামান নূর ও সুবর্ণা মুস্তাফা। বাংলার চিরায়ত প্রেমের গল্প ছিল এতে। ওই সময় সচরাচর স্টুডিওর বাইরে শুটিং করা হতো না। কিন্তু এ নাটকের বেশির ভাগ দৃশ্যই ছিল আউটডোরে। গল্পে তো অবশ্যই, নির্মাণেও ছিল ভিন্নতা। জাপান টিভি এই নাটক অনেকবার প্রচার করেছিল।

পারলে না রুমকি

এ নাটকে আমি ও সুবর্ণা মুস্তাফা একে অপরকে ভালোবাসি। বিয়েও হয়। কিন্তু বিয়ের পরই পাল্টে যেতে থাকে আমাদের সম্পর্ক। দুজনই কেমন বদলে যাই। যেটা কারো চাওয়া ছিল না। অবশেষে দুজনই চায় বৈবাহিক সম্পর্কের ইতি টানতে। কাহিনীতে এতটাই চমক ছিল যে নাটক শেষ হওয়ার ৩০ সেকেন্ড আগেও দর্শক ভাবতে পারেননি কী ঘটতে যাচ্ছে। আমার রচনায় নাটকটির প্রযোজক ছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান।

রক্তের আঙ্গুরলতা

সেলিম আল দীনের রচনায় এ নাটক প্রচারিত হয়েছিল ১৯৮০ সালে। নাটকটি বলতে গেলে আমার টার্নিং পয়েন্ট ছিল। কারণ এর আগে দর্শক আমাকে যে ধরনের চরিত্রে দেখে এসেছেন, তা থেকে এর চরিত্রটি একেবারেই ভিন্ন ছিল। গল্পে ঠাঁই পেয়েছে স্বাধীনতা-উত্তর সময়ের এক তরুণের গল্প, যে ভীষণ জেদি। তবে গল্পটা পুরোপুরি প্রেমের। প্রযোজক ছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান।

ওহ দেবদূত

এ নাটকেরও রচয়িতা সেলিম আল দীন। একজন মানুষ আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেয়। কারণ সে মনে করে, পৃথিবীতে তাঁর কোনো সাফল্যই নেই। পুরোপুরি ব্যর্থ। তাঁর সামনে হাজির হয় দেবদূত। জানতে চায়, কেন সে আত্মহত্যা করতে চাচ্ছে? দেবদূত অলৌকিক ক্ষমতায় লোকটির সব প্রয়োজন মিটিয়ে দেয়। লোকটি সফল হয়। কিন্তু পৃথিবীর নানা জটিলতায় আটকে পড়ে দেবদূত নিজেই। নাটকটি প্রচারিত হয়েছিল আশির দশকের শেষের দিকে। প্রযোজক ছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান।

চেহারা

এ নাটকের রচয়িতা আনিস চৌধুরী। গল্পে আমি মফস্বল থেকে পড়াশোনা করার জন্য শহরে এসেছি। আশ্রয় নিয়েছি আত্মীয়ের বাড়িতে। অনেক ধনী সে পরিবার। এ বাড়ির একটি মেয়ের (সুবর্ণা মুস্তাফা) সঙ্গে ধীরে ধীরে আমার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। নাটকটির প্রযোজক ছিলেন আতিকুল হক চৌধুরী। বিটিভিতে প্রচারিত হয়েছিল ১৯৭৬ সালে।

অনুলিখন : খাইরুল বাশার নির্ঝর

 

 



সাতদিনের সেরা