kalerkantho

শুক্রবার । ৭ অক্টোবর ২০২২ । ২২ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

ছবির পাইরেটেড কপি দেখলেও আপত্তি নেই ফাহাদের

রংবেরং ডেস্ক   

৯ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ছবির পাইরেটেড কপি দেখলেও আপত্তি নেই ফাহাদের

মালয়ালাম ছবির বড় তারকা ফাহাদ ফাসিল। অভিনয় করেন তেলুগু ও তামিল ছবিতেও। গত বছর ৩৫০ কোটি রুপি আয় করা তেলুগু ছবি ‘পুষ্পা—দা রাইজ’-এ ছিলেন, ছিলেন এ বছর ৪০০ কোটি রুপি আয় করা তামিল ছবি ‘বিক্রম’-এও। এরই মধ্যে সর্বভারতীয় তারকার খেতাব পেয়েছেন অভিনেতা।

বিজ্ঞাপন

অমিতাভ বচ্চন, কমল হাসানের মতো অভিনেতারাও ফাহাদের অভিনয়ের ভক্ত। মালয়ালাম ছবি ‘আর্টিস্ট’, ‘নর্থ ২৪ কাথাম’, ‘ট্রান্স’-এর কল্যাণে বাংলাদেশেও তাঁর ভক্তের সংখ্যা নেহাতই কম নয়। চলচ্চিত্র নিয়ে তাঁর ভাবনা ভারতের অন্য অনেক সুপারস্টারের চেয়ে বরাবরই আলাদা। সব তারকাই হলে গিয়ে নিজের ছবি দেখার কথা বলেন, ব্যতিক্রম ফাহাদ ফাসিল। নিজের ছবির পাইরেটেড কপি দেখলেও তাঁর আপত্তি নেই। তবে শর্ত একটাই, প্রিন্ট কোয়ালিটি যেন ভালো হয়।

এ সপ্তাহে অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওতে মুক্তি পেয়েছে অভিনেতার মালয়ালাম ছবি ‘মালয়ানকুঞ্জু’। ছবিটি সরাসরি ওটিটি প্ল্যাটফরমেই মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ফার্স্ট কাট দেখার পর বেঁকে বসলেন অভিনেতা। অ্যামাজন প্রাইম ভিডিও কর্মকর্তাদের কাছে ফাহাদ আবদার রাখলেন, অন্তত সীমিত কিছু সিনেমা হলে যেন মুক্তি দেওয়া হয়। অভিনেতার আবদার রাখল কর্তৃপক্ষ। ২২ জুলাই কেরালায় মুক্তি দেওয়া হয় ছবিটি। হলে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্তটাকে ফাহাদ বললেন ‘শৈল্পিক সিদ্ধান্ত’, বাণিজ্যের কথা ভেবে সিদ্ধান্তটা নেননি তিনি।

হিন্দুস্তান টাইমসকে অভিনেতা বলেন, ‘আমার হাতে ক্ষমতা থাকলে ছবির প্রথমার্ধ মুক্তি দিতাম ওটিটিতে, দ্বিতীয়ার্ধ সিনেমা হলে। এই ছবির বিষয়বস্তু এবং নির্মাণশৈলী অন্য রকম, সিনেমা হলের অভিজ্ঞতা পেলে দর্শক ছবিটা বেশি উপভোগ করবে। ’

ওটিটি না সিনেমা হলের মধ্যে কোনটা ভালো, এই বিতর্কে যেতেই চান না ফাহাদ। বলেন, ‘সিনেমা যেকোনো মাধ্যমেই উপভোগ করা যায়। ঘরে বসেই হোক বা সিনেমা হলে—আমি চাই দর্শক আমার ছবি দেখুক। এমনকি দর্শক যদি পাইরেটেড কপিও দেখে, আমি চাই তারা যেন অন্তত ভালো প্রিন্টটা দেখুক। ’

‘মালয়ানকুঞ্জু’ ছবির গল্পে দেখা যায়, ভূমিধসের কবলে পড়ে মাটির নিচে চাপা পড়েন ফাহাদ। একটি শিশুর কান্না সেই ভয়ংকর পরিস্থিতিতে তাঁকে মানসিকভাবে মুক্তি দেয়। অথচ ভূমিধসের আগের দিনও শিশুর কান্নার আওয়াজ রীতিমতো ঘৃণা করতেন তিনি।



সাতদিনের সেরা