kalerkantho

বৃহস্পতিবার ।  ১৯ মে ২০২২ । ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৭ শাওয়াল ১৪৪৩  

‘চরিত্রটা আমাকে ঘোরের মধ্যে রেখেছিল’

আজ রাত ৮টায় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকিতে মুক্তি পাবে শবনম বুবলীর প্রথম ওয়েব ছবি ‘টান’। প্রথমবার সিয়াম আহমেদের সঙ্গে জুটিও হয়েছেন তিনি। বুবলীর সঙ্গে কথা বলেছেন সুদীপ কুমার দীপ

২৭ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



‘চরিত্রটা আমাকে ঘোরের মধ্যে রেখেছিল’

শবনম বুবলী

আপনার প্রথম ওয়েব ছবি ‘টান’ মুক্তি পাবে আজ...

 

এত দিন চলচ্চিত্রে অভ্যস্ত ছিলাম। চলচ্চিত্রের ভাষা কিছুটা হলেও আত্মস্থ করতে পেরেছি। এবার প্রথম ওয়েবে কাজ করলাম। দুইটা ধরন আমার কাছে দুই ধরনের মনে হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আমি যে চলচ্চিত্রগুলোতে অভিনয় করেছি, সেগুলো ছিল বাণিজ্যিক ফর্মূলায় তৈরি। পাঁচটা গান, ১০টা মারপিট, নায়ক-নায়িকার কিছু রোমান্টিক সংলাপ, আর কিছু ড্রামা—এই তো! তবে ওয়েবে আসলে বিষয়টা অন্য রকম। এখানে চিৎকার করে বলা সংলাপ নেই, নেই অপ্রাসঙ্গিক মারপিট বা গানের দৃশ্য। এখানে সব কিছু যতটা সম্ভব বাস্তবসম্মতভাবে দেখানো হয়। ‘টান’ আমার প্রথম ওয়েব ছবি। আমি ভাগ্যবতী যে প্রথম ছবিতেই রায়হান রাফির মতো মেধাবী পরিচালক পেয়েছি, সহ-অভিনেতা হিসেবে আছে এই সময়ের তারকা সিয়াম আহমেদ। সব কিছু মিলিয়ে ‘টান’ দেখার জন্য, দর্শকদের প্রতিক্রিয়া পাওয়ার জন্য অধীর আগ্রহ নিয়ে বসে আছি।

 

‘টান’-এর গল্প সম্পর্কে কেনো ইঙ্গিত দেওয়া যাবে?

গল্প তো বলা নিষেধ। এটুকু বলতে পারি, আমার করা রোমান্টিক চরিত্রটি একেবারেই আলাদা। আমি আগেও রোমাটিক চরিত্রে অভিনয় করেছি। কিন্তু এবারের চরিত্রটা আমাকে অনেক দিন পর্যন্ত ঘোরের মধ্যে রেখেছিল। আমি অন্য কোনো কাজে মন দিতে পারছিলাম না।

 

সিয়ামের সঙ্গে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা কেমন?

সিয়াম অত্যন্ত মেধাবী অভিনেতা। তাঁর মধ্যে ভালো কাজের ক্ষুধা অনেক। শুটিং স্পটে দেখেছি, কোনো শট একবারে ‘ওকে’ হয়ে গেলেও সে আরো ভালো করার জন্য আরেকবার চেষ্টা করে। সহশিল্পী হিসেবেও যথেষ্ট সহযোগিতাপরায়ণ।

 

কাল তো আইটেম গানের শুটিং করলেন...

মোহাম্মদ ইকবাল ভাইয়ের ‘রিভেঞ্জ’ ছবির জন্য গানটি করছি। এই গানটির সঙ্গে আরেকটা বিষয় জড়িয়ে আছে। কাল শুটিং হলেও ২৫ জানুয়ারি মধ্যরাত থেকে গানটির অনুশীলন করেছি। মূল গানে পারফরম করা সব শিল্পী-কলাকুশলী নিয়ে পরিচালক মূল শুটিং স্পটে গানটি অনুশীলন করিয়েছেন। শেষরাত পর্যন্ত চলা সেই প্র্যাকটিসে যদি ক্যামেরা থাকত তাহলে হয়তো ওই দিনই গানটি হয়ে যেত। এত দিন আমরা গানের ট্র্যাক পেয়ে বাসায় একা একা প্র্যাকটিস করতাম, কিন্তু এবারই প্রথম শুটিং স্পটে গিয়েই প্র্যাকটিস করতে হলো। বিষয়টি বেশ মজার ছিল।

 

নতুন আর কী করছেন?

বেশ কয়েকটি ছবির প্রস্তাব আছে। তা ছাড়া ওয়েবে কাজ শুরু করার পর থেকে বিভিন্ন ওটিটি প্ল্যাটফর্ম থেকেও ডাক পাচ্ছি। তবে সেই শুরু থেকে আমি যে জিনিসটা মেনে আসছি, এখনো সেটা মানি। তা হলো, চূড়ান্ত না হলে নতুন প্রজেক্ট সম্পর্কে কিছুই বলব না।



সাতদিনের সেরা