kalerkantho

শুক্রবার । ৭ মাঘ ১৪২৮। ২১ জানুয়ারি ২০২২। ১৭ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

তিনটি কনসার্ট বাতিল করতে হলো

ব্যান্ড তারকা হাসান। ১০ জানুয়ারি ফেনীর এক কনসার্টে দর্শকদের সঙ্গে তাঁর অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ প্রসঙ্গসহ নানা বিষয়ে হাসানের সঙ্গে কথা বলেছেন সুদীপ কুমার দীপ

১৫ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তিনটি কনসার্ট বাতিল করতে হলো

হাসান

শীতকাল তো স্টেজ শোর মৌসুম। করোনা সংক্রমণ তো আবার বাড়ছে। কনসার্টে কেমন প্রভাব পড়ছে?

তিনটা কনসার্ট হাতে ছিল। সবই চূড়ান্ত হওয়ার পর আবার বাতিল করতে হলো।

বিজ্ঞাপন

আমরা পাবলিক ফিগার। আমাদেরই সবার আগে সচেতন হতে হবে। যদি কনসার্টগুলোয় অংশ নিতাম সেখানে নিশ্চয় অনেক মানুষ হাজির হতেন। তখন করোনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হতো। সেটা তো হতে দেওয়া উচিত হবে না। সবাইকে সাবধানে থাকতে হবে। বিধি-নিষেধ মেনে চলতে হবে।

 

কয়েক দিন আগে ফেনীতে এক কনসার্টে অংশ নিয়েছেন। কেমন অভিজজ্ঞতা হলো?

অনেক দিন পর এত বড় কনসার্ট হলো। হাজার হাজার দর্শকের সামনে গান করলাম। মুহূর্তটা কখনো ভোলার নয়। কনসার্টে আমার আর জেমস ভাইয়ের গান তো ছিলই, সঙ্গে ওমর সানী, মৌসুমী, ফেরদৌস ও পূর্ণিমার পারফরম্যান্সও উপভোগ করেছে দর্শক।

 

দর্শকদের সঙ্গে নাকি আপনার কী ঝামেলা হয়েছিল?

এত এত দর্শক ছিল যে নিয়ন্ত্রণ করতে প্রশাসনও হিমশিম খেয়েছে। সরাসরি আমার সঙ্গে কোনো দর্শকের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তবে শুনেছি, কেউ কেউ নাকি প্রথমে আমাকে চেনেননি। ভিড়ের মধ্য থেকে ‘হাসান কে?’ ‘হাসান কে?’ বলে চিৎকার করেছে। শোনার পর এটা আমি স্বাভাবিকভাবেই নিয়েছি। নব্বই ও শূন্য দশকে ব্যান্ড সংগীতের জোয়ারটা ছিল সবচেয়ে বেশি। তারপর আরেকটি প্রজন্ম বেড়ে উঠেছে। তাদের সঙ্গে আমাদের পরিচয়েও ঘাটতি আছে। মাঝখানে করোনার জন্য অনেক দিন গানে ছিলাম না। সব মিলিয়ে একটু তো এদিক-সেদিক হতেই পারে।

 

অনেক দিন শ্রোতারা আপনার নতুন গান শোনেন না...

গান তো চাইলেই তৈরি করা যায় না। অনেক ভাবনার বিষয় থাকে। ভালো কথা, সুর ও সংগীত নিয়ে একটা মনের মতো গান তৈরি হয়। আমরা এখন নিয়মিত প্র্যাকটিস করছি। চেষ্টা করছি শ্রোতাদের ভালো গান উপহার দেওয়ার জন্য। আশা করছি, খুব শিগগির তাদের অপেক্ষা শেষ হবে।

 

ব্যান্ডের বাইরে আপনি কি একক গান করার পরিকল্পনা করছেন?

এই মুহূর্তে আমার একক গান করার কোনো ইচ্ছে নেই। যেটা করব সেটা ব্যান্ডের (আর্ক) সবাই মিলে।



সাতদিনের সেরা