kalerkantho

রবিবার । ৪ আশ্বিন ১৪২৮। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১১ সফর ১৪৪৩

অনলাইনে অডিশন দিয়েছিলাম

৭৮তম ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবের ‘হরাইজনস’ বিভাগে নির্বাচিত হয়েছে ওপার বাংলার পরিচালক আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তর ছবি ‘ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা’। এতে অভিনয় করেছেন বাংলাদেশের অভিনেত্রী রিকিতা নন্দিনী শিমু। তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন সুদীপ কুমার দীপ

৩০ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



অনলাইনে অডিশন দিয়েছিলাম

‘ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা’র সঙ্গে যুক্ত হলেন কিভাবে?

‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ছবির প্রডাকশন ডিজাইনার ছিলেন জোনাকি ভট্টাচার্য্য। তিনি পরিচালক আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তর স্ত্রী। তিনিই আমার কথা বলেছিলেন। এর আগে আদিত্য দাদা আমার ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ দেখেছিলেন। তখনই আমাকে ছবিতে নেওয়ার কথা ভেবেছিলেন। পরে অনলাইনেও অডিশন দিয়েছিলাম। পরিচালকের আগের দুটি ছবি ‘আসা যাওয়ার মাঝে’ ও ‘জোনাকি’ দেখেছিলাম। মন থেকে সব সময় এই ধরনের কাজ করতে চেয়েছি। স্বপ্ন ছিল যদি তাঁর ছবিতে সুযোগ পাই! বুঝতে পারিনি সেই স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে। অডিশনের কিছুদিন পরই চূড়ান্ত হই।

 

ছবিতে আপনার চরিত্র...

এটা এই মুহূর্তে বলা নিষেধ। উৎসব শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমরা কেউ-ই কিছু বলতে পারব না। তবে এটুকু জানিয়ে রাখি, চরিত্রটি আর দশটা মধ্যবিত্ত মেয়ের মতোই।

 

পরিচালক আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তর কাজ তো সমালোচকরা খুবই পছন্দ করেন। তাঁর সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা কেমন?

শুটিং শুরুর বেশ আগেই আমি কলকাতা গিয়েছিলাম। অনেক দিন রিহার্সাল চলেছে। দাদাকে প্রথম দিন দেখে খুব ভয়ে ছিলাম। ভেবেছিলাম অনেক গুরুগম্ভীর হবেন। মেপে মেপে কথা বলবেন। তিনি আদৌ তা নন, প্রথম দিনই আমাকে ছোট বোন করে নিলেন। কলকাতার ভাষা বাংলা হলেও আমাদের সঙ্গে যথেষ্ট পার্থক্য আছে। বিশেষ করে সংলাপ থ্রোয়িংটা আলাদা। দাদা আমাকে সেটা শিখিয়ে নিয়েছেন। একবারের জন্য বুঝতেও পারিনি অন্য দেশে কাজ করছি। সহশিল্পীরাও আমাকে সব সময় সহযোগিতা করেছেন।

 

এই ছবিতে আরো বাংলাদেশি কলাকুশলী কাজ করেছেন [শিল্প নির্দেশক সাদ্দাম খন্দকার জয় ও কস্টিউম ডিজাইনার  তানসিনা শাওন]। তাঁরা কিভাবে যুক্ত হন?

এই ছবিতে আরো যাঁরা বাংলাদেশি কাজ করেছেন তাঁরা সবাই ‘মেড ইন বাংলাদেশ’-এ ছিলেন। জোনাকি দিদি সবাইকে কাছ থেকে দেখেছেন, তাঁদের কাজে মুগ্ধ হয়েছেন। দিদির সূত্রেই উনারা সুযোগ পেয়েছেন।

 

‘রানওয়ে’, ‘মাটির প্রজার দেশে’, ‘আন্ডার কনস্ট্রাকশন’ ও ‘মেড ইন বাংলাদেশ’—এত দিনের ক্যারিয়ারে মাত্র চারটি ছবিতে অভিনয় করেছেন...

আমার কাছে বিভিন্ন ধরনের গল্প আসে, বাণিজ্যিক ছবির প্রস্তাবও পাই। তবে সব সময় সে প্রস্তাবেই হ্যাঁ বলেছি যে চরিত্রটি আমার মনের মতো। ছোটবেলা থেকেই আমি সিনেমা-পাগল। বাণিজ্যিক ছবিও পছন্দ করি। তবে গল্প এবং চরিত্রটা যদি সুন্দর হয়, মানে নিজেকে তুলে ধরার সুযোগ থাকে তাহলে অভিনয় করতে বাধা নেই।

 

ওয়েব সিরিজ ‘তাকদীর’-এ ছোট চরিত্র করে প্রশংসিত হয়েছেন

চরিত্রের দৈর্ঘ্য আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়। আসল কথা হলো গল্পে চরিত্রটি কেন আসছে, তার যৌক্তিকতাটা কতটুকু, কোনো বার্তা দিচ্ছে কি না সেগুলো ভেবে দেখা। ‘তাকদীর’ দেখলেই বুঝতে পারবেন আমার উপস্থিতি অল্প সময়ের জন্য হলেও পুরো সিরিজের গল্পই এগিয়েছে আমাকে ঘিরে।

 

নতুন কাজের কী খবর?

কভিডের কারণে শুটিং শুরু হচ্ছে না। নইলে নতুন ছবির কাজ শুরু হতো। বেশ কয়েকটি টিভিসি করার কথাও আছে। ওয়েব সিরিজের প্রস্তাব আসছে নিয়মিত। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই জানাতে পারব।