kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ শ্রাবণ ১৪২৮। ৩০ জুলাই ২০২১। ১৯ জিলহজ ১৪৪২

ইউনিফর্ম পরে মুহূর্তেই বদলে যাই

ক্যারিয়ারে ব্যস্ত সময় পার করছেন শবনম বুবলী। শুটিং-ডাবিং চলছে তিনটি ছবির। একের পর এক নতুন ছবির প্রস্তাব পাচ্ছেন। তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন সুদীপ কুমার দীপ

২৩ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ইউনিফর্ম পরে মুহূর্তেই বদলে যাই

কেমন আছেন?

ভালো আছি। উপরওয়ালার কাছে কৃতজ্ঞ তিনি আমাকে এখনো দারুণ ব্যস্ত রেখেছেন। একসঙ্গে অনেক ছবির কাজ চলছে। ‘চোখ’-এর ডাবিং শেষ করলাম। ‘লিডার আমিই বাংলাদেশ’ ও ‘রিভেঞ্জ’-এর শুটিং চলছে টানা। আরো দুটি নতুন ছবির শুটিং শুরু হবে শিগগির।

 

একসঙ্গে দুই ছবির শুটিং চলছে। সামলাচ্ছেন কী করে?

সত্যি বলতে আমার ভাগ্যটা অনেক ভালো। এর আগে ‘বিদ্রোহী’ ও ‘মনের মতো মানুষ পাইলাম না’ ছবির একসঙ্গে শুটিং করেছিলাম। পরিচালকরা বরাবরই আমার পাশে থাকেন। সকাল ও বিকেল শিফট ভাগ করে দুটি ছবি শেষ করেছিলাম তখন। এবারও তাই হচ্ছে। গতকাল (২২ জুন) এফডিসিতেই দুটি ছবির শুটিং পাশাপাশি চলেছে। কিছুক্ষণ ‘লিডার আমিই বাংলাদেশ’-এর শুটিং করছি, পরক্ষণেই আবার ‘রিভেঞ্জ’-এর শুটিং করছি।

 

এভাবে কাজ করলে দুটি চরিত্র রূপায়ণে জটিলতা তৈরি হয় না?

আমার কাছে কোনো ঝামেলা মনে হচ্ছে না। কারণ দুটি চরিত্র দুই ধরনের। ‘রিভেঞ্জ’-এ আমি পুলিশ অফিসার। যখন ইউনিফর্ম পরি মুহূর্তেই বদলে যাই। অন্যদিকে ‘লিডার’-এ আমি সাধারণ এক মেয়ে। ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালেই হাজার হাজার পরিশ্রমী নারী আমার চোখে ভেসে ওঠে। তখন অনায়াসেই চরিত্রটা ধারণ করতে পারি।

 

পরিচালক হিসেবে তপু খান ও মোহাম্মদ ইকবালের প্রথম ছবি ‘লিডার’ ও ‘রিভেঞ্জ’। আপনার কাছে তাঁদের পরিচালনা কেমন লাগছে?

তপু ভাই অনেক নাটক বানিয়েছেন আগে, তবে সিনেমা করছেন প্রথমবার। খুব গুছিয়ে কাজ করেন। প্রতিটা শট নেওয়ার আগে চিন্তা করেন, প্রয়োজনে সময় নেন। এত খুঁতখুঁতে পরিচালক কমই দেখেছি। অন্যদিকে ইকবাল ভাইয়ের প্রযোজনায় আগে কয়েকটি ছবি করেছি। পরিচালক হিসেবে তিনি এতটা বিচক্ষণ হবেন সেটা সত্যিই আগে ভাবতে পারিনি। টানা বৃষ্টির মধ্যেও একের পর এক দৃশ্যের শুটিং করেছেন তিনি। যেটা আউটডোরে করার কথা ছিল, গল্প বদলে সেটা ইনডোরে করছেন।

 

করোনা পরিস্থিতি তো আবারও খারাপের দিকে যাচ্ছে। শুটিংয়ে কি স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে?

এই বিষয়ে আমরা সবাই সচেতন। স্যানিটাইজড না হয়ে স্পটে প্রবেশ নিষিদ্ধ। ক্যামেরার সামনে থাকার সময়টুকু ছাড়া বাকি সময় সবাই মাস্ক ব্যবহার করছি। একটু পর পর ক্যামেরা থেকে শুরু করে শুটিংয়ের আনুষঙ্গিক অন্যান্য যন্ত্রপাতিতে জীবাণুনাশক স্প্রে করা হচ্ছে।