kalerkantho

রবিবার। ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮। ১৬ মে ২০২১। ০৩ শাওয়াল ১৪৪২

সেরা ১০

সারাহ বেগম কবরীর ক্যারিয়ারে সফল ছবি অনেক। আলোচিত ১০ ছবি নিয়ে এই প্রতিবেদন

১৮ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সেরা ১০

‘ময়নামতি’ ছবিতে কবরীর সঙ্গে রাজ্জাক

সুতরাং [১৯৬৪]

কবরী অভিনীত প্রথম ছবি। সুরকার সত্য সাহা কবরীর [মিনা পাল] একটি ছবি দেখান সুভাষ দত্তকে। কণ্ঠ ও সংলাপ শোনার পর দত্ত তাঁকে পছন্দ করেন জরিনা চরিত্রের জন্য। চলচ্চিত্রটির লেখক সৈয়দ শামসুল হক তাঁর নাম পরিবর্তন করে রাখেন কবরী।

 

ময়নামতি [১৯৬৮]

কাজী জহিরের এই ছবিতে রাজ্জাক-কবরী জুটিকে দারুণ পছন্দ করেছিল দর্শক। ছবির প্রতিটি গান তুমুল জনপ্রিয় হয়। ২০১৪ সালে জাকির হোসেন রাজু ছবিটি রিমেক করেন, নাম দেন ‘অনেক সাধের ময়না’।

 

নীল আকাশের নীচে [১৯৬৯]

নারায়ণ ঘোষ মিতার এই ছবিতেও কবরীর নায়ক রাজ্জাক। তৎকালীন বাঙালি মধ্যবিত্ত পরিবারের গল্প নিয়ে ছবি। ছবির ‘নীল আকাশের নীচে আমি রাস্তায় চলেছি একা’ গানটি আজও সমান জনপ্রিয়।

 

দীপ নেভে নাই [১৯৭০]

নারায়ণ ঘোষ মিতার এই ছবিতে প্রশংসিত হয়েছিলেন কবরী। রাজ্জাকের সঙ্গে তাঁর প্রেমের অভিনয় এতই বাস্তব মনে হয়েছে দর্শকের কাছে, সে সময় গুজব ওঠে রাজ্জাক-কবরীর প্রেমের।

 

তিতাস একটি নদীর নাম [১৯৭৩]

অদ্বৈত মল্লবর্মণের উপন্যাস অবলম্বনে একই নামে ছবিটি নির্মাণ করেন ঋত্বিক ঘটক। এটি কবরীর ক্যারিয়ারের বড় এক অর্জন। ২০০৭ সালে ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউশনের জরিপে এবং দর্শক-চলচ্চিত্র সমালোচকদের ভোটে ছবিটি সেরা ১০ বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের তালিকায় জায়গা করে নেয়।

 

রংবাজ [১৯৭৩]

বাংলাদেশের প্রথম মারপিটের ছবি। রাজ্জাক প্রযোজিত ছবিটির পরিচালক জহিরুল হক। তুমুল জনপ্রিয় হয় ছবিটি। কবরীর ঠোঁটে ‘সে যে কেন এলো না’ গানটি এখনো জনপ্রিয়।

 

সুজন সখী [১৯৭৫]

প্রমোদকর ছদ্মনামে ছবিটি পরিচালনা করেন খান আতাউর রহমান। গ্রামীণ পটভূমিতে তৈরি প্রেমের গল্পের ছবিটি সাড়া ফেলে সারা দেশে। ফারুকের সঙ্গে কবরীর জুটি গড়ে ওঠে এই ছবি দিয়ে। ১৯৯৪ সালে সালমান শাহ-শাবনূরকে নিয়ে ছবিটি রিমেক করেন শাহ আলম কিরণ।

 

সারেং বৌ [১৯৭৮]

উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবনসংগ্রাম নিয়ে ছবিটি নির্মাণ করেন আবদুল্লাহ আল মামুন। অসহায় নবিতনের চরিত্রে কবরীর অনবদ্য অভিনয় এখনো মনে দাগ কাটে। এই ছবিতে অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেত্রীর জাতীয় পুরস্কারও পেয়েছিলেন কবরী।

 

দেবদাস [১৯৮২]

শরত্চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পার্বতী হওয়ার ইচ্ছা বাঙালি প্রায় সব অভিনেত্রীর। কবরীর এই ইচ্ছা পূরণ করলেন চাষী নজরুল ইসলাম। ছবিতে দেবদাস হয়েছিলেন বুলবুল আহমেদ।

 

দুই জীবন [১৯৮৮]

ছবিতে পরিণত নারী তাহমিনার চরিত্রে অভিনয় করেছেন কবরী। আবদুল্লাহ আল মামুনের ব্যবসাসফল এই ছবিতে আরো অভিনয় করেছেন বুলবুল আহমেদ, আফজাল হোসেন ও দিতি।