kalerkantho

শুক্রবার। ৩১ বৈশাখ ১৪২৮। ১৪ মে ২০২১। ০২ শাওয়াল ১৪৪২

নারীদের পাশে থাকতে চাই

ছোট পর্দার ব্যস্ত অভিনেত্রী সাবিলা নূর। বঙ্গবন্ধুর বায়োপিকের মাধ্যমে বড় পর্দায় নাম লিখিয়েছেন। সম্প্রতি শুভেচ্ছা দূত হয়েছেন ‘গ্লো অ্যান্ড লাভলী’র। সাবিলার সঙ্গে কথা বলেছেন সুদীপ কুমার দীপ

১১ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নারীদের পাশে থাকতে চাই

কেমন আছেন?

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ চলছে। আপাতত শুটিং বন্ধ রেখেছি। ঘরেই আছি। ঈদের কিছু কাজ ছিল। সেগুলো করব কি না এখনো দ্বিধা-দ্বন্দ্বে আছি। প্রতিদিন যে হারে সংক্রমিত হচ্ছে মানুষ, মনে হয় না কাজ করা হবে।

 

সম্প্রতি কী কী করলেন?

নাটকের পাশাপাশি ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হইচইয়ের একটি কাজ করেছি। পরিচালক ছিলেন আশফাক নিপুন। আর বি প্রীতমের পরিচালনায় চরকিরও একটি কাজ করেছি। করোনার কারণে খুব বেছে বেছে কাজ করেছি গত এক বছর। ঘর থেকে বের হতেই ভয় লাগে।

 

গ্লো অ্যান্ড লাভলীর সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন...

এমন একটি ব্র্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে ভালো লাগছে। দেশের আইকনিক ও এক নম্বর স্কিন কেয়ার ব্র্যান্ড এটি। সবচেয়ে ভালো লাগে, ব্র্যান্ডটি নারীদের নিজের পরিচয়ে এগিয়ে নিতে উৎসাহ দেয়। আমি গ্লো অ্যান্ড লাভলীর মাধ্যমে দেশের নারীদের পাশে থাকতে চাই, তাদের মুখে হাসি ফোটাতে পারলেই আমার আনন্দ।

 

ছোট পর্দার অনেকেইে চলচ্চিত্রে ব্যস্ত হয়েছেন। আপনি পিছিয়ে আছেন কেন?

আমি নিয়মিত বড় পর্দায় কাজ করার প্রস্তাব পাই। তবে বুঝে-শুনে তারপর সিদ্ধান্ত নিতে চাই। অপেক্ষা করেছি ভালো কিছুর। তার ফলও পেলাম। আমার প্রথম ছবি হচ্ছে জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের বায়োপিক ‘বঙ্গবন্ধু’। এমন একটি ছবিতে অভিনয় করার পর নিশ্চয় দায়িত্ব বেড়ে যায়! নামমাত্র ছবিতে অভিনয় করে তো লাভ নেই। পরের ছবিটি সস্তা হোক, সেটি কখনো চাই না।

 

নৃত্য দিয়ে শুরু। তবু নাচে সেভাবে দেখা যায় না আপনাকে...

আমি নিজেও মাঝেমধ্যে বিষয়টি নিয়ে ভাবি। অভিনয় পেশাটিকে এত বেশি সময় দিয়ে ফেলেছি যে নৃত্যশিল্পী হিসেবে নিজেকে তুলে ধরার সময় পাইনি। অথচ এই আমি পদ্মকুঁড়ি চ্যাম্পিয়ন প্রথম শ্রেণিতে পড়ার সময়ই। বুলবুল ললিতকলা একাডেমির ছাত্রী ছিলাম। হঠাৎ হঠাৎ নাচের শোয়ের প্রস্তাব আসে। দেখা যায়, তখন প্র্যাকটিস করার সময় থাকে না। ফলে ‘না’ করে দিতে হয়, যার কারণে বিরতিটা চোখে পড়ছে। তবে সামনে নাচের জন্য আলাদা সময় বের করার চিন্তা করছি।