kalerkantho

সোমবার। ৪ মাঘ ১৪২৭। ১৮ জানুয়ারি ২০২১। ৪ জমাদিউস সানি ১৪৪২

পর্দায় ম্যারাডোনা

২৫ নভেম্বর প্রয়াত হয়েছেন ফুটবল কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনা। মাঠে ও মাঠের বাইরে বর্ণিল জীবন ছিল তাঁর। বারবার তাই তাঁর নানা রঙিন গল্প উঠে এসেছে চলচ্চিত্র, সংগীত ও তথ্যচিত্রে। লিখেছেন লতিফুল হক

২৭ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



পর্দায় ম্যারাডোনা

‘ম্যারাডোনা বাই কুস্তারিকা’ তথ্যচিত্রের পোস্টার

২০০৬ সালে মুক্তি পাওয়া আর্জেন্টাইন ছবি ‘দ্য রোড টু সান ডিয়েগো’ তৈরি হয় ডিয়েগো ম্যারাডোনাকে নিয়েই। ছবিটি কমেডি ঘরানার। ম্যারাডোনাকে নিয়ে আর্জেন্টিনার মানুষ কতটা পাগল, তা-ই তুলে ধরা হয়েছে মজা করে। ছবিটিতে ম্যারাডোনার খেলার প্রচুর ফাইল ফুটেজ দেখানো হয়েছে। আর্জেন্টিনার জনপ্রিয় কমিক সিরিজ ‘কাজাডোর ডি আ ভেঞ্চারাস’-এ বহুবার ম্যারাডোনাকে অতিথি চরিত্রে পাওয়া গেছে। এটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর আরেকটি কমিক বই ‘এল ডিয়ে’তেও তাঁকে পাওয়া যায়।

ম্যারাডোনাকে নিয়ে নির্মিত উল্লেখযোগ্য কয়েকটি তথ্যচিত্র ‘লাভিং ম্যারাডোনা [২০০৫]’, ‘ম্যারাডোনা, দ্য হ্যান্ড অব গড [২০০৭]’ ইত্যাদি। তাঁকে নিয়ে সবচেয়ে আলোচিত দুই তথ্যচিত্র হলো ‘ম্যারাডোনা বাই কুস্তারিকা’ ও ‘ডিয়েগো ম্যারাডোনা’। প্রথমটি মুক্তি পায় ২০০৮ সালে, নির্মাণ করেন সার্বিয়ার প্রশংসিত পরিচালক এমির কুস্তারিকা। কান চলচ্চিত্র উৎসবে প্রিমিয়ার হওয়া ছবিটিতে ফুটবলারের জীবনের বিভিন্ন আলোচিত-সমালোচিত ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে।

‘ডিয়েগো ম্যারাডোনা’ কিংবদন্তির ফুটলারকে নিয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ বলে মনে করেন সমালোচকরা। ২০১৯ সালে কান চলচ্চিত্র উৎসবে প্রিমিয়ার হওয়া তথ্যচিত্রটি নির্মাণ করেন বাফটাজয়ী ব্রিটিশ নির্মাতা আসিফ কাপাডিয়া। তারকাদের জীবন নিয়ে তথ্যচিত্র নির্মাণে সিদ্ধহস্ত এই পরিচালক আগে প্রয়াত গায়িকা অ্যামি ওয়াইনহাউজকে নিয়ে বহুল প্রশংসিত তথ্যচিত্র ‘অ্যামি’ বানিয়েছিলেন।

‘ডিয়েগো ম্যারাডোনা’র গল্প শুরু হয় ১৯৮৪ সালে, যখন ম্যারাডোনা বার্সেলোনা থেকে নাপোলিতে যোগ দেন। এরপর তাঁর ক্যারিয়ারের উত্থান-পতন সবই তুলে ধরেছেন পরিচালক। তথ্যচিত্রটি বাংলাদেশের দর্শকরা সহজেই দেখতে পারবেন ‘এইচবিও ম্যাক্স’ অ্যাপে।

ম্যারাডোনাকে উৎসর্গ করে তৈরি হয়েছে বহু গান। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য এল পোট্রো রড্রিগেজের ‘লা মানো ডি ডিয়োস’, অন্দ্রিয়েস কালামারোর ‘ম্যারাডোনা’, লস রাটোনেস পারানোকসের ‘ডিয়েগো ফরএভার’, চার্লি গার্সিয়ার ‘ম্যারাডোনা ব্লুজ’ ইত্যাদি।

 

‘ডিয়েগো ম্যারাডোনা’র একটি দৃশ্য

 

তারকাদের শোক

তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করছি। আমার দেখা সেরা ফুটবলার তিনি।

শাকিব খান

 

বিদায় রাজপুত্র।

জয়া আহসান

 

আমাদের কৈশোরে, স্কুলজীবনে মিশে ছিল যে নামটি—ম্যারাডোনা। চলে গেলেন পরপারে। খুব বেশি করে ফিরে যাচ্ছি সেই অতীতে। ম্যারাডোনার ছবিওয়ালা খাতায় লিখতে লিখতে স্কুলজীবন পার করেছি। এখন কেমন লাগছে অনেককেই বোঝানো যাবে না।

চঞ্চল চৌধুরী

 

ডিয়েগো ম্যারাডোনা...ফুটবলকে আপনি আরো বেশি সুন্দর করে তুলেছেন। আপনার অভাব অনুভূত হবে। দুনিয়ায় যেমন আপনি বিনোদন দিয়েছেন, হয়তো  ওপারেও দেবেন।

শাহরুখ খান

 

ডিএম নেই! বিশ্বাসই করতে পারছি না। তিনি হার মানার মতো নন। আমি তাঁর সঙ্গে ১ ঘণ্টা ১০ মিনিট কাটিয়েছি, তাঁর বাঁ পা ছুঁয়েছি।

আসিফ কাপাডিয়া

 

আপনার আত্মা শান্তি পাক ডিয়েগো ম্যারাডোনা। সর্বকালের সেরা ফুটবলারদের একজন। সত্যিকারের লিজেন্ড।

প্রিয়াঙ্কা চোপড়া

মন্তব্য