kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ কার্তিক ১৪২৭। ২০ অক্টোবর ২০২০। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

হ্যাংকসের টাকায় ফরেস্ট গাম্প!

রংবেরং ডেস্ক   

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হ্যাংকসের টাকায় ফরেস্ট গাম্প!

টম হ্যাংকস

১৯৯৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ফরেস্ট গাম্প’ ইতিহাস তৈরি করেছিল। বিশ্বব্যাপী তুমুল জনপ্রিয়তার পাশাপাশি জিতেছিল সেরা ছবি, সেরা অভিনেতা, সেরা পরিচালকসহ ছয়টি শাখায় অস্কার। সে বছর যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় ব্যবসাসফল ছবিটি দিয়ে নিজেকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যান টম হ্যাংকস। অথচ অর্থের অভাবে একটা সময় ছবিটির কাজ প্রায় বন্ধ হয়ে যেতে বসেছিল! ছবির বিখ্যাত একটা দৃশ্য—ফরেস্টের দৌড়। কিন্তু তখন যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ফরেস্টের দৌড়ের দৃশ্য চিত্রায়ণের পরিকল্পনায় বেঁকে বসেছিল প্যারামাউন্ট পিকচার্স। ‘অত্যন্ত ব্যয়বহুল’ বলে দৃশ্যটি বাদ দেওয়ার পরামর্শ দেয় তারা। কিন্তু পরিচালক রবার্ট জেমেকিস ছিলেন নাছোড়বান্দা। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের সাহায্য না পেয়ে হাজির হন টম হ্যাংকসের বাড়িতে। সব শুনে রাজি হন অভিনেতা। এরপর তিনি আর পরিচালক জেমেকিস মিলে জোগান দেন প্রযোজনীয় অর্থ। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই ঘটনা প্রথমবারের মতো সামনে আনেন টম হ্যাংকস, ‘আমরা যে অর্থ দিয়েছিলাম সেটা সে সময়ের বিচারে বেশ বড় অঙ্কের। তবুও ছবির জন্য কাজটা করেছিলাম। এরপর প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানকে বলি, ছবি ব্যবসাসফল হলে আমাদের লভ্যাংশের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে হবে। ওরা খুশি মনে রাজি হয়।’ তাঁদের সিদ্ধান্ত ঠিক ছিল সেটা প্রমাণ হয় কিছুদিন পরেই। ছবির সেই দৌড়ের দৃশ্য চলচ্চিত্র ইতিহাসেরই অন্যতম ‘ক্লাসিক’ দৃশ্যের স্বীকৃতি পায়। টমেরও পকেট ভারী হয়। মুক্তির পর এ ছবি থেকে ছয় কোটি ৫০ লাখ ডলার [৫৫০ কোটি টাকা] লভ্যাংশ পেয়েছিলেন অভিনেতা!

 

সূত্র : হলিউড রিপোর্টার

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা