kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২২ শ্রাবণ ১৪২৭। ৬ আগস্ট  ২০২০। ১৫ জিলহজ ১৪৪১

বিয়ের কার্ডও ছাপা হয়েছিল

৩১ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিয়ের কার্ডও ছাপা হয়েছিল

করোনাকালে হঠাৎ বিয়ের খবর দিলেন জাকিয়া সুলতানা কর্ণিয়া। স্বামী নাবিল সালাহউদ্দিনও গানের মানুষ। সম্পর্ক, বিয়ে ও ভবিষ্যৎ ভাবনা নিয়ে গায়িকার সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সুদীপ কুমার দীপ

 

আপনাদের সম্পর্কের শুরুটা কিভাবে?

রিয়ালিটি শো ‘পাওয়ার ভয়েস’ থেকে বের হওয়ার পরই নাবিলের সঙ্গে পরিচয়। তখনো অতটা ঘনিষ্ঠতা হয়নি। ২০১৬ সাল থেকে যখন স্টেজ শোতে নিয়মিত হলাম তখন সে আমার সঙ্গে নিয়মিত বাজাতে শুরু করে। একসময় আমার ব্যান্ড ‘কর্ণিয়াস গ্যাং’-এ যোগ দেয়। দলের দায়িত্ব সে-ই নেয়। এভাবেই আসলে কাছে আসা।

 

কে প্রথম ভালোবাসার প্রস্তাব দিয়েছিল?

অনেকেই ভুল করছেন এই জায়গায়। আমাদের কখনোই প্রেম ছিল না। বন্ধুত্ব ছিল। বিয়েটা একদম পারিবারিকভাবেই হয়েছে। নাবিলের মা ‘পাওয়ার ভয়েস’ থেকেই আমাকে পছন্দ করেছিলেন। আমার বিভিন্ন পেপারকাটিং সংগ্রহে রাখতেন। আমাদের ব্যান্ডের আরেক সদস্য রাজাকে তিনি বেশ আগেই বলে রেখেছিলেন, আমাকে ছেলের বউ বানাবেন। তখন অবশ্য অতটা সিরিয়াসলি নিইনি।

 

তাহলে বরফ গলল কিভাবে?

গত বছর আমার মা অসুস্থ হলে নাবিলের পরিবার থেকে সরাসরি বিয়ের প্রস্তাব আসে। বাবা না থাকায় আমার সব সিদ্ধান্ত নেন মা। তাঁর ইচ্ছায়ই বিয়ে। গত বছর ১২ অক্টোবর আমাদের আংটি বদল হয়। এ বছর ২৯ মার্চ বিয়ে এবং এপ্রিলে গলফ ক্লাবে জমকালো বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজনের কথা ছিল। বিয়ের কার্ডও ছাপা হয়েছিল। সব পরিকল্পনা ভেস্তে দিয়েছে করোনা। অবশেষে ২৭ জুলাই ঘরোয়া আয়োজনে আমাদের বিয়ে হয়।

 

হানিমুন কোথায় করবেন?

দেশের বাইরে যেতে চেয়েছিলাম। সেটা তো এখন সম্ভব নয়। আপাতত গ্রামের বাড়ি গিয়ে বাবার কবর জিয়ারত করব। ইচ্ছা আছে পরিবার নিয়ে গাজীপুরে কোনো রিসোর্টে কয়েকটা দিন কাটিয়ে আসব।

 

নতুন গানের কী খবর?

এর মধ্যে ‘স্বপ্নে দেখা রাজকন্যা’, ‘আগুনে পোড়া কান্না’সহ কয়েকটি চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়েছি। করোনা নিয়েও কয়েকটি গান প্রকাশ পেয়েছে। প্রকাশের অপেক্ষায় আছে আরো কিছু গান। আমার নিজের চ্যানেল থেকে সম্প্রতি দুটি কাভার সং প্রকাশ পেয়েছে। সামনে আরো কয়েকটি মৌলিক গান প্রকাশ করব এখান থেকে।

মন্তব্য