kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৩ আষাঢ় ১৪২৭। ৭ জুলাই ২০২০। ১৫ জিলকদ  ১৪৪১

বাসু চ্যাটার্জির বিদায়

রংবেরং ডেস্ক   

৫ জুন, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাসু চ্যাটার্জির বিদায়

বাসু চ্যাটার্জি [১৯২৭-২০২০]

সত্তর ও আশির দশকের হিন্দি ছবির জনপ্রিয় পরিচালক বাসু চ্যাটার্জি মারা গেছেন। ৪ জুন মুম্বাইয়ে তাঁর মৃত্যু হয়। ৯৩ বছর বয়সী বাসু চ্যাটর্জি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় ভুগছিলেন। এই বাঙালি পরিচালকের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ বলিউড তারকারা।

১৯২৭ সালে রাজস্থানের আজমিরে জন্ম নেওয়া বাসু ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন চিত্রশিল্পী হিসেবে। নিজে পরিচালনা শুরুর আগে হৃষিকেশ মুখোপাধ্যায় ও বাসু ভট্টাচার্যের সহকারী হিসেবে কাজ করেন। ১৯৬৯ সালে মুক্তি পায় তাঁর পরিচালিত প্রথম ছবি ‘সারা আকাশ’, যা সমালোচকদের কাছে ব্যাপক প্রশংসিত হয়। তাঁর পরিচালিত উল্লেখযোগ্য অন্য ছবিগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘বাতো বাতো মে’, ‘রজনীগন্ধা’, ‘কমলা কি মৌত’, ‘চক্রব্যূহ’, ‘খাট্টা মিঠা’, ‘জিনা ইহা’, ‘আপনে পেয়ারে’। অন্য ধারা ও বাণিজ্যিক ছবির মাঝামাঝি ঘরানার ছবি করার জন্য খ্যাতি ছিল বাসু চ্যাটার্জির। পর্দায় সাধারণ মানুষের জীবন তুলে ধরতেও ছিলেন অনন্য। তাঁর পরিচালনায় তারকাদের পাওয়া গেছে অন্য রূপে। ‘মঞ্জিল’-এ অমিতাভ বচ্চন, ‘চত্রব্যূহ’তে রাজেশ খান্না বা ‘পছন্দ আপনি আপনি’তে মিঠুন চক্রবর্তীকে যেভাবে পাওয়া গেছে তা সেই সময়ের অন্য ছবির তুলতায় একেবারেই আলাদা।

বেশ কিছু বাংলা ছবিও করেছেন বাসু। বাংলাদেশের ফেরদৌসের সঙ্গে তাঁর ‘হঠাৎ বৃষ্টি’ এ দেশে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। বড় পর্দার পাশাপাশি টিভিতেও সফল ছিলেন বাসু। তাঁর পরিচালনায় ‘ব্যোমকেশ বক্সী’ ও ‘রজনী’ ভীষণ জনপ্রিয় হয়।

সাতটি ফিল্মফেয়ার, আইফায় আজীবন সম্মাননা ছাড়াও ভারতের জাতীয় পুরস্কারও পেয়েছিলেন বাসু চ্যাটার্জি।

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা