kalerkantho

বুধবার । ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৩ জুন ২০২০। ১০ শাওয়াল ১৪৪১

সা ক্ষা ৎ কা র

যে যার জায়গা থেকে মানুষের পাশে দাঁড়ান

১৮ মার্চ থেকে দুবাইয়ে ঘরবন্দি সুজানা জাফর। তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন সুদীপ কুমার দীপ

৭ এপ্রিল, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



যে যার জায়গা থেকে মানুষের পাশে দাঁড়ান

দুবাইয়ে কবে গেলেন?

১৮ মার্চ এসেছি। আগেও অনেকবার এখানে এসেছি, পরিবারের অনেকেই আছে এখানে, ব্যবসার কাজেও প্রায়ই আসি। তবে এবার অন্য রকম একটা সময় পার করছি। বলতে পারেন টানা ১৮ দিন লকডাউনে আছি।

 

দেশের খবর রাখছেন?

অবশ্যই। সারাক্ষণ সংবাদ দেখছি, ফেসবুকে মানুষের পোস্ট দেখছি। বিচলিতও হচ্ছি। খারাপ লাগছে। আসলে সরকারকে দোষ দিয়ে লাভ নেই, নিজ নিজ জায়গা থেকে নিরাপদে থাকা সবার দায়িত্ব। খবরে দেখলাম প্রচুর মানুষ ঢাকায় ঢুকেছে। এই মুহূর্তে মানুষগুলোকে ঢাকায় ঢোকানো ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। যে যেখানে আছে এখন সেখানেই থাকা উচিত। এভাবে অবাধ চলাফেরা করা ঝুঁকিপূর্ণ। সবার কাছে অনুরোধ, যে যার জায়গা থেকে মানুষের পাশে দাঁড়ান। সচেতন থাকেন, সচেতনতা তৈরি করুন।

 

সময় কাটাচ্ছেন কিভাবে?

সকাল থেকে রাত কিভাবে চলে যায় বুঝতে পারি না। তবে কোয়ারেন্টিনে থেকে আমার জীবনটা শৃঙ্খলার মধ্যে এসেছে। নিজের কাজ নিজেই করি। সকালে রান্না করি সবার জন্য। দুপুরে গোসল করার পর নামাজ পড়ি, কোরআন শরিফ তিলাওয়াত করি। মাগরিবের পর বিশ্রাম নেই। এরপর টিভিতে খবর দেখি, রাতের খাবার খাই।

 

আপনি তো আগে থেকেই বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত এখন কী করছেন?

ছয় বছর ধরে প্রতিবন্ধীদের নিয়ে কাজ করছি। বিভিন্ন এতিমখানা, বৃদ্ধাশ্রমের সঙ্গে জড়িত আছি। এসব করে শান্তি পাই। দুবাইয়ে বসেও দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। ঢাকায় আমার ম্যানেজার আছে। তাকে বলে দিয়েছি, কোথায় কোথায় অনুদান দিতে হবে। সে আমার নির্দেশনা মতো কাজ করছে। নিজে গিয়ে কিছু করতে পারছি না, এ জন্য কিছুটা খারাপ লাগছে।

 

ত্রাণ দেওয়া নিয়ে তো বিতর্ক হচ্ছে...

কিছু মানুষ সত্যি সত্যি সাহায্য করছে। কিন্তু কেউ কেউ নিজেদের প্রচারের জন্য রাস্তায় নেমেছে। ভিড় তৈরি করছে। এটা ঠিক নয়। মানুষকে সাহায্য করার সদিচ্ছা থাকলে খুব সুন্দর করে পরিকল্পনামাফিক তা করা যায়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা