kalerkantho

শুক্রবার । ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৫ জুন ২০২০। ১২ শাওয়াল ১৪৪১

সা ক্ষা ৎ কা র

একবারের জন্যও বাসা থেকে বের হইনি

দুই সপ্তাহ ধরে স্বেচ্ছাবন্দিত্বে আছেন সংগীতশিল্পী দিলশাদ নাহার কনা। বাসায় বসে কী করছেন? জেনেছেন রবিউল ইসলাম জীবন

৪ এপ্রিল, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



একবারের জন্যও বাসা থেকে বের হইনি

স্বেচ্ছাবন্দিত্বে আছেন কবে থেকে?

২০ মার্চ থেকে। এই সময়টাতে একবারের জন্যও বাসা থেকে বের হইনি। অথচ সারা জীবনে কখনো টানা দুই দিন বাসায় থাকিনি। প্রথম কয়েক দিন খুব খারাপ লেগেছিল। বাসায় থাকতে ভালো লাগত যদি কোনো চিন্তা না থাকত। এখন তো সারাক্ষণ টেনশন, অনিশ্চয়তা—কী জানি হয়! এই কদিনের মধ্যে তিন-চারবার ছাদে গেছি। আকাশ দেখেছি। ওইটুকুই স্বস্তি। কবে যে আল্লাহ এই মহামারি থেকে পৃথিবীটাকে রক্ষা করবে!

 

সারা দিন বাসায় কী করছেন?

মাকে সাহায্য করছি। রান্নাবান্না, ঘর গোছানো—এসব করছি। বাবার জন্য লেবুর শরবত বানাচ্ছি, চা তৈরি করছি। কয়েক দিন ধরে বেশি বেশি গান শুনে মনটাকে শান্ত রাখার চেষ্টা করছি। নামাজ-কালাম পড়ছি। আল্লাহর কাছে দোয়া করছি।

 

বাসায় থেকেও তো একটি গান করেছেন?

হ্যাঁ। তবে গানটিতে গাইনি, নেপথ্য কণ্ঠ দিয়েছি। গানটি কুদ্দুস বয়াতির গাওয়া ‘জাইনা চলেন মাইনা চলেন।’ এটির পৃষ্ঠপোষক ব্র্যাক। সবাই খুব পছন্দ করেছে গানটি, এর মধ্যেই ভাইরাল। এ ছাড়া হরলিক্স ও নিডোর দুটি বিজ্ঞাপনে নেপথ্য কণ্ঠ দিয়েছি।

 

অনেক তারকাই এখন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন সেগুলো চোখে পড়েছে?

সামাজিক যোগাযোগের কল্যাণে চোখে পড়ছে। দেখে ভালো লাগছে। এই দুঃসময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো সবারই দায়িত্ব। আমার আশপাশে যারা আছে, তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি। আমি মনে করি, সবাই যদি আশপাশের মানুষের খেয়াল রাখি তাহলে এ সমস্যার সমাধান অনেকটাই সম্ভব।

 

আপনার আশপাশের বা পরিচিত কেউ কি করোনায় আক্রান্ত হয়েছে?

না। তবে একটা ঘটনা বলি। আমাদের পাশের বাসার একজন মহিলার স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। আজ [কাল] সকালে হাসপাতাল থেকে তাঁর লাশ নিয়ে আসার পর সবার মধ্যে কেমন যেন একটা আতঙ্ক। স্বজনদের কেউ তাঁর মরদেহের কাছে যাচ্ছে না। দূরে দাঁড়িয়ে দেখছে। এমন দৃশ্য তো কখনোই কাম্য ছিল না। আসলে মানুষের মনে ভয় ঢুকে গেছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা