kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ২৬  মে ২০২০। ২ শাওয়াল ১৪৪১

সা ক্ষা ৎ কা র

৫০০ পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছি

১৫ দিন ঘরবন্দি আছেন বিদ্যা সিনহা মিম। কী করছেন? জেনেছেন সুদীপ কুমার দীপ

৩ এপ্রিল, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



৫০০ পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছি

লকডাউনের দিনগুলো কেমন কাটছে?

আর বলবেন না। ঘুম থেকে উঠি সকাল ১০টায়। যেন দিনটা দ্রুত কেটে যায়। তবু কাটে না। ১১টায় নাশতা করি। এঘর-ওঘর করি। একটু পর শাওয়ার নিই। লাঞ্চ করতে করতে সেই ৪টা। এরপর একটু ব্যায়াম করি, টিভি দেখি, মা-বাবার সঙ্গে খুনসুটি করি, বই পড়ি, নেটফ্লিকস, অ্যামাজান প্রাইম দেখি। রাতে ঘুমাতে ঘুমাতে ১টা বা ২টা বেজে যায়।

 

বিরক্ত লাগছে?

সত্যি বলতে, একটু তো বিরক্ত লাগবেই। আমি কাজের মানুষ। দিনের পুরোটা শুটিং, নইলে গল্প বাছাই, পরিচালকদের সঙ্গে পরিকল্পনা, নতুন নতুন আইডিয়া...আরো কত কী করে কেটে যেত। আর এখন ঘরবন্দি। করার মতো কিছু নেই।

 

রান্নাবান্না করেন না এই অবসরে?

চেষ্টা করি। ভালো হয় না। ওই আমার দৌড় চা, কফি কিংবা ব্রেকফাস্ট পর্যন্ত। এর বাইরে বিশেষ কিছু পারি না।

 

কত দিন ধরে বাসায় আছেন?

১৮ মার্চ থেকে বাসায়। আমার মা-বাবা দুজনই অসুস্থ। অ্যাজমা, লিভারসহ নানা সমস্যা আছে। তাই একদম বের হই না। আমি চাই না আমার জন্য তাঁরা কোনো বিপদে পড়ুন।

 

এই ১৫ দিন কি একবারের জন্যও বের হননি?

না। ড্রাইভার, বুয়াসহ অন্য কাজের লোকদেরও ছুটি দিয়েছি। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দরকার পড়লে ড্রাইভারকে দিয়ে আনিয়ে নিই। তার বাসা পাশেই। তবে বলা আছে বাসার নিচে দিয়ে যেতে। আমি সেখান থেকে সংগ্রহ করে নিই।

 

অনেক তারকাই সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন

শো অফ পছন্দ করি না। তাই কেউ জানেও না। এর মধ্যে রাজশাহীর  ৫০০ পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছি। আমার মামার মাধ্যমে নিয়মিত তাদের নগদ টাকা, খাবারদাবার দিচ্ছি। কিন্তু তার জন্য কি ছবি তুলতে হবে! মিডিয়াতে জানাতে হবে!

 

কবে নাগাদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে মনে করছেন?

আমি তো চাই আজই সব ঠিক হয়ে যাক। কারণ যত দিন যাবে মানুষের অসহায়ত্ব বাড়বে। কজন মানুষ আছে ভবিষ্যতের চিন্তা করে টাকা-পয়সা, খাবারদাবার জমিয়ে রেখেছে? সবারই একদিন অভাব দেখা দেবে। তখন অরাজকতা তৈরি হবে। তার আগে নিশ্চয়ই ওপরওয়ালা সহায় হবেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা