kalerkantho

সোমবার । ২০ জানুয়ারি ২০২০। ৬ মাঘ ১৪২৬। ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

একজন শিল্পীর জীবন!

রংবেরং প্রতিবেদক   

১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



একজন শিল্পীর জীবন!

‘নো ল্যান্ডস ম্যান’-এর শুটিংয়ে নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী

৭ ডিসেম্বর নিউ ইয়র্কে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘নো ল্যান্ডস ম্যান’-এর শুটিং করছিলেন নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী। ঠিক এই সময় একটা ফোন আসে তাঁর। ফোনটা রিসিভ করলেন, কথাও বললেন। কাউকে কিছু বুঝতে না দিয়েই চলমান দৃশ্যটির শুটিং শেষ করলেন। এর পরই ফারুকীসহ ইউনিটের সবাই জানতে পারেন, একটু আগে ফোনে বোনের মৃত্যুসংবাদ পেয়েছেন অভিনেতা। ইউনিটের সবাই কী বলবেন, কিভাবে সান্ত্বনা দেবেন তাঁকে, এই ভেবে যখন হয়রান তখন নওয়াজই সবাইকে সহজ করে নিলেন। দিনের বাকি দৃশ্যগুলোও শেষ করলেন। ৯ ডিসেম্বর ছবির সব কাজ শেষ করে ভারতের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। ফারুকী বলেন, “নওয়াজের বোন সায়মা আট বছর ধরে ক্যান্সারের সঙ্গে যুদ্ধ করছিলেন। ‘নো ল্যান্ডস ম্যান’-এর গল্প শোনানোর সময় যখন জানলেন পর্দায়ও তাঁর ছোট বোনের নাম সায়মা, তখন আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, আমি জেনেশুনেই এ নামটা রেখেছি কি না! তখন বলেছিলাম, পাঁচ বছর আগে গল্পটি তৈরি করা। জানতাম না তাঁর ছোট বোনের নামও সায়মা। নওয়াজ তাঁর ছোট বোনের সঙ্গে ফোনে কিছু কনভারসেশন দেখালেন। সায়মার চিকিৎসা করাচ্ছিলেন নওয়াজ। বিশ্বাস করতেন, তাঁর বোন জীবনযুদ্ধে জয়ী হবেন। কিন্তু হায়! আমার সেটেই সায়মার মৃত্যুসংবাদ শুনলেন তিনি। আর শোনার পর ভেঙে না পড়ে মেকআপ নিয়ে শুটিং করে গেলেন টানা। এটাই একজন শিল্পীর জীবন!” ফারুকী শুরুতে ‘নো ল্যান্ডস ম্যান’-এর শুটিং চলাকালে কোনো প্রচারণা চাননি বা শুটিং সংক্রান্ত বিষয়ও ফাঁস করতে চাননি। কিন্তু নওয়াজের এই হৃদয়বিদারক ঘটনা তাঁকে বাধ্য করেছে বিষয়টি সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করতে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা