kalerkantho

সোমবার। ২৭ জানুয়ারি ২০২০। ১৩ মাঘ ১৪২৬। ৩০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

সা ক্ষা ৎ কা র

‘আমার মায়ের নামও আয়েশা’

সেন্সর ছাড়পত্র বাতিল ও প্রদর্শনী বন্ধে একটি পক্ষ আইনি নোটিশ দিয়েছে এ সপ্তাহে মুক্তি পাওয়া ছবি ‘ন ডরাই’কে। এ নিয়ে ছবিটির প্রযোজক ও স্টার সিনেপ্লেক্সের চেয়ারম্যান মাহবুব রহমান রুহেলের সঙ্গে কথা বলেছেন রবিউল ইসলাম জীবন

৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



‘আমার মায়ের নামও আয়েশা’

আপনারা কি নোটিশ হাতে পেয়েছেন?

আমি এখনো পাইনি। তবে অনলাইন পোর্টালে দেখে খুব অবাক হয়েছি। তারা যে অভিযোগ করছে, ছবিতে এমন কিছুই নেই। তারা কোন দিক দিয়ে এত বড় অভিযোগ করল, সত্যিই জানি না।

 

অভিযোগটা কী?

বলেছে, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে ছবিটি। এটা নারীমুক্তির গল্প। এক সাহসী নারী সার্ফারের কথা বলা হয়েছে এখানে। ফেসবুকে অভিযোগকারীদের কয়েকটা স্ট্যাটাসে দেখেছি, ছবিতে নাকি বিকিনি পরে সার্ফিং দেখানো হয়েছে। এটা পুরোপুরি মিথ্যা অভিযোগ। অন্যান্য বাংলা ছবি থেকেও এই ছবি শালীন। যে নোটিশ দিয়েছে, তার উচিত ছবিটা একবার হলেও দেখা। দেখলেই ভুল বুঝতে পারবে।

 

এই নোটিশ কে পাঠিয়েছে?

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. হুজ্জাতুল ইসলাম। তবে আমি ফেসবুকে দেখেছি ডাক্তার তুহিন মালিক নামে একজন এটা নিয়ে খুব প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। ‘সিনেমাটা বর্জন করুন, সেন্সর ছাড়পত্র বাতিল হোক’—এসব কথা। সেখানে অনেক বাজে মন্তব্য দেখেছি। তার পরই নোটিশের খবর পেলাম।

 

এখন আপনাদের ব্যাখ্যা কী?

অফিশিয়ালি নোটিশ তো এখনো পাইনি। পেলে ব্যাখ্যা দেব। আমি শুধু বলতে চাই, যারা অভিযোগ করেছে তারা আগে ছবিটি দেখুক।

 

নোটিশে বলা হয়েছে, এই চলচ্চিত্রে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর স্ত্রী হজরত আয়েশা (রা.) সম্পর্কে বর্ণনা তুলে ধরা হয়েছে।

সেটা কেন হবে! হজরত আয়েশা একজন সাহসী মহিলা। তাঁর নামের কারণে এই নামটি রাখা হয়নি। আমার মায়ের নামও আয়েশা। আরো অনেক নামই হতে পারত; বরং মায়ের নামের সঙ্গে মিলে যাওয়ায় আমি উৎসাহ পেয়েছি।

 

এই গল্প তো সার্ফার নাসিমার জীবন থেকে অনুপ্রাণিত!

নাসিমা প্রথম সাহস করে সার্ফিং করেছে এবং এ নিয়ে স্ট্রাগল করেছে। সেটা জানার পরই আমি গল্পটি তৈরি করি। তবে ছবির গল্পটা তার জীবনের না।

 

কেউ যদি বলেন, ছবির বাড়তি প্রচারণার জন্য নিজেরাই নিজেদের এই নোটিশ পাঠিয়েছেন!

না! আমরা কেন তা করতে যাব। যারা এটা ছড়াচ্ছে তাদের ফেসবুকে যেসব মন্তব্য দেখেছি তা ভীষণ আপত্তিজনক ও ভয়াবহ। আমার জীবনের ওপর দিয়ে কিছু গেল, সেটা এক কথা, কিন্তু ছবিতে যারা কাজ করেছে তাদের কিছু হলে বিষয়টা খুবই খারাপ হবে। যত দূর শুনেছি হুজ্জাতুল ইসলাম যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষের আইনজীবী ছিলেন। ছবিটাকে ইস্যু করে কেউ ধর্মীয় বা রাজনৈতিক অস্থিরতা ছড়াতে চাইছে বলে আমার ধারণা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা