kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৭ রবিউস সানি ১৪৪১     

আজ শেষ দিনে যাঁরা গাইবেন

১৬ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



 আজ শেষ দিনে যাঁরা গাইবেন

জুনুন [পাকিস্তান]

তিন দিনব্যাপী ‘ঢাকা আন্তর্জাতিক লোকসংগীত উৎসব’-এর আজ সমাপনী দিন। সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হয়ে উৎসব চলবে রাত ১২টা পর্যন্ত

মালেক কাওয়াল

বাংলা লোকসংগীতের এক অনন্য নাম। চার দশকের বেশি সময় ধরে কাওয়ালি গান গেয়ে আসছেন তিনি। তাঁর গানে হাতেখড়ি গুরু মহীন কাওয়ালের কাছে। পরে তালিম নিয়েছেন ওস্তাদ মরহুম টুনু কাওয়ালের কাছে। কাওয়ালির পাশাপাশি তিনি মাইজভাণ্ডারী গানেও পারদর্শী।

 

সাত্তুমা [রাশিয়া]

রাশিয়ার কারেলিয়া অঞ্চলের জনপ্রিয় ব্যান্ডগুলোর অন্যতম। পারিবারিক এই ব্যান্ডটির যাত্রা শুরু ২০০৩ সালে। নিও ফোক ঘরানার গান নিয়ে সাত্তুমা সফর করেছে ইউরোপের নানা প্রান্তে। মঞ্চে নানা ধরনের বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে এক অদ্ভুত মূর্ছনায় দর্শককে আবিষ্ট করে রাখেন সাত্তুমার সদস্যরা। আমেরিকা, ফিনল্যান্ড, স্ক্যান্ডিনেভিয়া, এস্তোনিয়া ও জার্মানিতেও জনপ্রিয় দলটি। 

চন্দনা মজুমদার

কুষ্টিয়ার গড়াই নদের পারে জন্ম এই গুণী শিল্পীর। মূলত লালনসংগীত করেন। বাবা নির্মলচন্দ  মজুমদার লালনগীতির শিল্পী হলেও তিনি চেয়েছিলেন নজরুলগীতি করুক চন্দনা। কিন্তু কুষ্টিয়ার আবহ ও পারিবারিক পরিবেশ তাঁকে নিয়ে আসে লালনের গানে। রাধারমণ, হাসন রাজা, শাহ্ আবদুল করিমসহ আরো বিভিন্ন গীতিকবির গানও করেন। ২০০৯ সালে পান জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। প্রখ্যাত বাউল গানের শিল্পী কিরণ চন্দ্র রায় তাঁর সহধর্মী।

 

জুনুন [পাকিস্তান]

সুফি ঘরানার গান দিয়ে দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে উপমহাদেশের শ্রোতাদের মোহাবিষ্ট করে রেখেছে ব্যান্ডটি। ১৯৯৭ সালে নিজেদের চতুর্থ অ্যালবাম ‘আজাদি’ দিয়ে ঝড় তোলে জুনুন। বিশ্বব্যাপী ‘জুনুন’-এর অ্যালবাম বিক্রি হয়েছে ৩০ মিলিয়নেরও বেশি কপি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা