kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

সা ক্ষা ৎ কা র

‘না পাওয়ার আক্ষেপ রয়েই যাবে’

‘গহীন বালুচর’ ছবিতে শ্রেষ্ঠ কৌতুক অভিনেতার জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন ফজলুর রহমান বাবু। কিন্তু যে চরিত্রটির জন্য তিনি এই পুরস্কার পেয়েছেন সেটা কি আদৌ কমেডি চরিত্র ছিল? এ নিয়ে অভিনেতার মুখোমুখি হয়েছেন সুদীপ কুমার দীপ

৯ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘না পাওয়ার আক্ষেপ রয়েই যাবে’

এবার পুরস্কার ঘোষণা হওয়ার পর আপনার অনুভূতি কী?

খুব মিশ্র প্রতিক্রিয়া হচ্ছে। ভালো বলব না মন্দ বলব, বুঝে উঠতে পারছি না। সেরা কৌতুক চরিত্রে আমাকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। কিন্তু আমার চরিত্রটি তো কৌতুকের ছিল না! কিভাবে যে মনোনীত হলাম?

 

ছবিটিতে আপনার চরিত্র কেমন?

খুব সিরিয়াস চরিত্র, একজন লোভী বাবা। মদ খায়, উচ্চাকাঙ্ক্ষায় পেয়ে বসে তাকে। গল্পের শেষের দিকে এসে যখন ভুল বুঝতে পারে তখন আর হাতে সময় নেই। একমাত্র মেয়ে মারা যায়। সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ে। এমন চরিত্র কি কৌতুকের?

 

আপনি কি এই চরিত্রটির জন্য পুরস্কার আশা করেছিলেন?

না। আমার মনে হয়েছিল ‘স্বপ্নজাল’ ছবিটির জন্য পুরস্কার পেতে পারি। কেন যেন সেরা কাজটাই মূল্যায়ন পেল না। হয়তো জুরি বোর্ডের ভালো লাগেনি। তবে এই ছবির চরিত্রটির জন্য পুরস্কার না পাওয়ার আক্ষেপ আমার রয়েই যাবে।

 

মোশাররফ করিমও কমলা রকেট- শ্রেষ্ঠ কৌতুক অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন...

ছবিটি আমি দেখেছি। মোশাররফের চরিত্রটি কোনোভাবেই কৌতুক ক্যাটাগরিতে পড়ে না। আসলে এই ক্যাটাগরিটা এখন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার থেকে বাদ দেওয়া উচিত। নইলে পাশাপাশি ‘বেদনা পুরস্কার’, ‘শহুরে পুরস্কার’, ‘লুঙ্গি পরা পুরস্কার’—এসবও চালু করা উচিত। এত বিভ্রান্তি ভালো লাগে না।

ছোট বেলায় যাত্রাপালায় দেখতাম বেশ ট্র্যাজেডির পর হঠাৎ একটা চরিত্র এসে দর্শকদের হাসাত। একটু রিলাক্স করত। কিন্তু সেটা আশির দশক-নব্বইয়ের দশক পর্যন্ত মেনে নেওয়া গেছে। এখন জীবনঘনিষ্ঠ ছবি হচ্ছে, এখানে আলাদা করে কৌতুক তৈরি করার দরকার পড়ে বলে মনে হয় না।

 

পুরস্কারটি গ্রহণ করতে কি আপনার আপত্তি আছে?

আমি জাতীয় স্বীকৃতিকে সম্মান করি। এটা শিল্পী হিসেবে আমার পাওনা। তবে সঠিক বিচার-বিশ্লেষণ করে পুরস্কার দিলে খুশি মনে গ্রহণ করা যায়। আশা করব, এর পর থেকে জুরি বোর্ড আরো বেশি দায়িত্ববান হবেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা