kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

আজ আসছে মা গো মা

রংবেরং প্রতিবেদক   

৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আজ আসছে মা গো মা

ফাহমিদা নবীর সঙ্গে মঞ্জুর উল আলম চৌধুরী

মঞ্জুর উল আলম চৌধুরী পেশায় একজন যন্ত্র প্রকৌশলী। গানও লিখেন। এ পর্যন্ত তাঁর লেখা প্রায় ৫০টি গান প্রকাশিত হয়েছে। ২০০৭ সালে বৈশাখী টিভির ঈদের অনুষ্ঠান ‘গানে গানে কিছুক্ষণ’-এ ছয়টি গান প্রচারের মধ্য দিয়ে গীতিকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। আজ আসছে তাঁর লেখা, ফাহমিদা নবীর গাওয়া গান-ভিডিও ‘মা গো মা’। গানটির সুরও করেছেন ফাহমিদা নবী। প্রকাশিত হবে ফাহমিদার নিজের ইউটিউব চ্যানেলে। সংগীতায়োজনে পঞ্চম। গত ১৭ আগস্ট গায়িকার বাসায় গানটির ভিডিওর শুটিং হয়। নির্মাতা বর্ণ চক্রবর্তী।

গানটি প্রসঙ্গে মঞ্জুর উল আলম চৌধুরী বলেন, “আমরা আট ভাই-বোন। প্রত্যেকেই মাকে ভীষণ ভালোবাসি। ২০০৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর মা মারা যান। এর পর থেকে আমি প্রচণ্ড রকম নিঃসঙ্গতা অনুভব করতে থাকি। প্রতি মুহূর্তে মাকে দেখার একটা আকাঙ্ক্ষা জাগতে থাকে মনে। জানি মা নেই, তার পরও দৃষ্টি এদিক-সেদিক তাঁকেই খোঁজে। মা থাকা এবং না থাকার মধ্যে যে পার্থক্য সেটা তখন উপলব্ধি করতে থাকি। সে  অনুভূতিটাই গানটিতে তুলে ধরেছি। লিখতে গিয়ে বারবার কেঁদেছি। মা মারা যাওয়ার মাসখানেকের মধ্যে লিখলেও উপযুক্ত একজন শিল্পীর জন্য অপেক্ষা করছিলাম। আমার ‘বীরাঙ্গনা’ গানটিতে ফাহমিদা আপার গায়কিতে মুগ্ধ হই। মনে হলো এই গানটিও তিনি ভালো করবেন। মাসছয়েক আগে তাঁকে গানটি দিই। মাসতিনেক আগে তিনি সুরটি শোনান, যা ভালো লাগে দুজনেরই।”

ফাহমিদা নবী বলেন, ‘এই প্রথম মাকে নিয়ে গান সুর করলাম। মঞ্জুর উল আলম ভাই নিজের বাস্তব অনুভূতি থেকে গানটি লিখেছেন। কথাগুলো অসাধারণ। যার মা নেই সে এটা ভালোভাবে অনুভব করতে পারবে। ভিডিওর মধ্যেও একজন মায়ের রেখে যাওয়া চাবি, ঘরজুড়ে শূন্যতা, আলো-আঁধারি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। গানটি শুনলে যে কেউ একটা চিন্তার জগতে চলে যাবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা