kalerkantho

শ্রীজাতের জয়াকাব্য

রংবেরং ডেস্ক   

২৬ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শ্রীজাতের জয়াকাব্য

ওপার বাংলার জনপ্রিয় কবি শ্রীজাত। গীতিকার হিসেবেও তিনি কম জনপ্রিয় নন। ‘০৩৩’, ‘অটোগ্রাফ’, ‘চ্যাপলিন’, ‘উড়োচিঠি’সহ ৫০টিরও বেশি বাংলা ছবিতে তাঁর লেখা অনেক জনপ্রিয় গান আছে। কবি-গীতিকার শ্রীজাত এবার অতিথি হয়েছিলেন বাংলাদেশি অভিনেত্রী জয়া আহসানের। ২৪ আগস্ট রাতে জয়ার কলকাতার আস্তানা যোধপুর পার্কের বাড়িতে আড্ডা দেন দুজন। শ্রীজাত ও জয়া দুজনই সিনেমাজগতে কাজ করলেও আগে সেভাবে তাঁদের বন্ধুত্ব নিয়ে শোনা যায়নি। কিভাবে তাঁদের আলাপ পরিচয়? জয়ার সঙ্গে আড্ডা আর রাতের খাওয়া শেষে দীর্ঘ এক ফেসবুক পোস্ট দিয়েছেন শ্রীজাত। সেখানেই জানিয়েছেন জয়ার সঙ্গে বন্ধুত্বের ইতিবৃত্ত—‘আমি তাকে চিনি পর্দার মাধ্যমে, সে আমাকে চেনে দু’মলাটের মধ্যবর্তী অঞ্চল থেকে। আর সেই চেনাটাই যে সবচেয়ে জরুরি চেনা, সে কথা বুঝতে পারি, যখন আমাদের আলাপ হয় মুখোমুখি। দেখা অবশ্য হয়েছিল প্রথমবার, শহর ম্যানহাটানের এক পাঁচতারা হোটেলের ঘরোয়া জমায়েতে, দু-একটা বাক্য ছাড়া কোনো বিনিময় হয়নি। কিন্তু এটুকু বুঝেছিলাম, জয়া আপাদমস্তক একজন শিল্পী, যে তার শিল্পের কাছে সমর্পিত। কাজের সূত্রে যখনই কলকাতায় এসেছে জয়া, খোঁজ নিয়েছে আমার। ফোনে বার্তা পাঠিয়ে ডাক দিয়েছে খোশগল্পের, প্রতিবারই।’ এবার ঢাকার একুশে বইমেলা থেকে বই কিনে তাঁর বাড়িতে পাঠিয়েছিলেন জয়া, শ্রীজাত লিখেছেন সে কথাও। কিন্তু আড্ডা দিতে জয়া নিয়মিত আবদার করলেও সময় মিলছিল না ঠিকঠাক। অবশেষে সেটা হলো শনিবার, ‘সন্ধে থেকে টানা অনেকক্ষণ গল্পে মেতে থাকা গেল অবশেষে। ছবি থেকে উপন্যাস, থিয়েটার থেকে কবিতা, স্বপ্ন থেকে বাস্তব, কথার সুতো বুনতে বুনতে আমরা তৈরি করছিলাম সময়ের শীতলপাটি, যা বিছিয়ে দেবার বড় একটা সুযোগ আজকের এই ব্যস্ত জীবনে বন্ধুদের হয় না,’ লিখেছেন শ্রীজাত। ইঙ্গিত দিয়েছেন একসঙ্গে কাজ করারও। শ্রীজাত পোস্ট শেষ করেছেন সুমনের লেখা গান দিয়ে—“কবীর সুমন বহু আগের একটা গানে লিখেছিলেন, ‘দূরেও রয়েছে বন্ধু মিষ্টি হেসে/হয়তো কোথাও, হয়তো অন্য দেশে’। আছেই তো। থাকেই, চিরকাল। কিন্তু সাঁকোকে ঘিরে যে কুয়াশা, তার বোধ হয় ক্ষমতা আছে, কাঁটাতারকে ঝাপসা করে মিলিয়ে দেবার। তাই না?”

এ বছর জয়া অভিনীত ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া ছবি ‘এক যে ছিল রাজা’য় গান লিখেছেন শ্রীজাত।

মন্তব্য