kalerkantho

সংসার একটা সামাজিক দায়িত্ব

৩ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সংসার একটা সামাজিক দায়িত্ব

গতকাল ছিল ওমর সানী-মৌসুমী দম্পতির বিবাহবার্ষিকী। ১৯৯৬ সালের ২ আগস্ট বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন তাঁরা। দুই যুগের দাম্পত্যজীবন নিয়ে সুদীপ কুমার দীপের সঙ্গে কথা বললেন মৌসুমী

 

সংসারজীবনের দুই যুগে পা রাখলেন...

এটা ওপরওয়ালার অশেষ রহমত। এত দিন একসঙ্গে সুন্দরভাবে বেঁচে আছি, সংসার করছি, ছেলে-মেয়েও মানুষের মতো মানুষ হচ্ছে—এর চেয়ে বড় পাওয়া আর কী হতে পারে!

 

আপনাদের মনোমালিন্য হলে কে আগে অভিমান ভাঙায়?

একসঙ্গে থাকলে মনোমালিন্য হবেই। ভুলটা আমার হলে আমিই ভুল ভাঙাই। আর সানী ভুল করলে সে ‘সরি’ বলে। এর নামই তো সংসার।

 

দুজনের পারস্পরিক মতের মিল-অমিল কোন কোন বিষয়ে?

একসঙ্গে এতগুলো বছর পার করলে একে অন্যকে বুঝতে আর বাকি থাকে না। সানী যেটা বলে আমি মনে করি সেটা সঠিক, আবার আমি যেটা বলি সেটাও সানীর কাছে সঠিক মনে হয়। তাই মতের পার্থক্য আর থাকে না।

 

স্বামী-স্ত্রী দুজনই তারকা হলে অনেক সময় দেখা যায় সন্তানদের কথা ভেবে একজন শোবিজ থেকে অবসর নেন। আপনাদের ক্ষেত্রে সেটা হয়নি...

আমরা কাজটাকেই প্রাধান্য দিয়েছি। সংসার একটা সামাজিক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। সেটা পালন করার জন্য পেশা থেকে অবসর নেওয়াটা ঠিক বলে মনে করি না। তার মানে এই নয়, ছেলে-মেয়েকে সময় দিইনি! আমার শুটিং থাকলে সানী হয়তো বাসায় ছিল, ওর শুটিং থাকলে আমি বাসায়। তা ছাড়া আমাদের মধ্যে বলার মতো কোনো ঝগড়া আজ পর্যন্ত হয়নি। ফলে যেটুকু সময় পেয়েছি সন্তানদের দিতে পেরেছি। ওরাও খুশি থেকেছে।

 

বিয়ের দিনের কোন ঘটনাটা সবচেয়ে বেশি মনে পড়ে?

নির্দিষ্ট করে বলতে পারব না। সেদিনের সব ঘটনাই মনে আছে। আমার তো মনে হয়, এইতো সেদিন সংসার শুরু করলাম!

 

অন্য তারকা দম্পতিদের জন্য আপনার পরামর্শ কী?

সংসার আর পেশাকে কখনো গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়। সংসার সংসারের মতো আর পেশা পেশার মতো চললে কোনো মতবিরোধ হওয়ার সম্ভাবনাই থাকে না।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা