kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

সংশয়ে মোদির মুক্তি

রংবেরং ডেস্ক   

২৪ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সংশয়ে মোদির মুক্তি

নরেন্দ্র মোদির বায়োপিক নির্মাণের ঘোষণা এসেছিল বছর দুয়েক আগে। গত বছর জানা যায়, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করবেন পরেশ রাওয়াল। গুজরাটের এই অভিনেতা গত লোকসভা নির্বাচনে মোদির দল বিজেপির টিকিটে সাংসদ হয়েছিলেন। কিন্তু মাস দুয়েক আগে জানা যায় অন্য খবর। মোদিজির চরিত্রে অভিনয় করছেন বিবেক ওবেরয়। এর দুই মাস পরই ‘পিএম নরেন্দ্র মোদি’ ছবির মুক্তির তারিখ ঘোষণা করা হলো। সেখানেও একই ঘটনা। প্রথমে ১২ এপ্রিলের ঘোষণা এলেও পরে সপ্তাহখানেক এগিয়ে ৫ এপ্রিল করা হয়। তবে ছবিটা আদৌ মুক্তি দেওয়া যাবে কি না, তা নিয়েই দেখা দিয়েছে সংশয়। ছবিটির ব্যাপারে প্রথমে আপত্তি তোলে কংগ্রেসের ছাত্রসংগঠন ন্যাশনাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অব ইন্ডিয়ার গোয়া ইউনিট। নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে তারা এই ‘নিছক বিজেপির প্রপাগান্ডা ছবি’র প্রদর্শন ও প্রচারণা নির্বাচনকালে বন্ধ রাখার এবং মোদির আসনে নিষিদ্ধ করার দাবি তোলে। নির্বাচনের মৌসুমে ছবিটির মুক্তি ঠেকাতে কংগ্রেসের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে তামিলনাড়ুর প্রভাবশালী দল ডিএমকে। একই সুরে কথা বলছে সিপিএমও। বিষয়টি কমিশন গুরুত্বের সঙ্গেই নিয়েছে। এরই মধ্যে সেন্সর বোর্ডের সঙ্গেও কথা বলেছে। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী সেন্সর ছাড়পত্র দেওয়ার পর বোর্ডের আর কিছু করার নেই। তবে কমিশন নিজের মতো করে কাজ শুরু করে দিয়েছে। এরই মধ্যে ছবিটির বিজ্ঞাপন ছাপানোয় নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে দিল্লির একটি পত্রিকাকে কারণ দর্শানোর চিঠি দিয়েছেন এক রিটার্নিং অফিসার।

২০ মার্চ ছবিটির ট্রেলার প্রকাশের পরই মূলত নির্বাচনকালে ছবিটি নিষিদ্ধের দাবি জোরেশোরে উঠতে শুরু করেছে। এই ট্রেলার নিয়ে আরো গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন পাঁচবারের জাতীয় এবং আটবারের ফিল্মফেয়ার পুরস্কারজয়ী গীতিকার জাভেদ আখতার। সেখানে নিজের নাম দেখে হতভম্ব এই গীতিকার-চিত্রনাট্যকার! ট্রেলারের কাস্ট লিস্টের ছবি টুইটারে পোস্ট করে লিখেছেন, ‘ছবিতে নিজের নাম দেখে আমি বিস্মিত। আমি তো এটাতে কোনো গানই লিখিনি!’

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা