kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

ফিচ রেটিং

পরিশোধ সক্ষমতার মধ্যে বাংলাদেশের বিদেশি ঋণ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২ অক্টোবর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিশ্ব অর্থনীতির মন্থর গতিতেও বাংলাদেশের শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখছে আন্তর্জাতিক ঋণ মান সংস্থা ফিচ রেটিং। স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড পুওরস (এসঅ্যান্ডপি) এবং মুডিসের পর আরেকটি আন্তর্জাতিক ঋণমান সংস্থা বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে সুখবর দিয়েছে। এই ঋণমান সংস্থাটি হচ্ছে ফিচ রেটিং। গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি এ তথ্য জানায়।

বিজ্ঞাপন

সংস্থাটি বলেছে, নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা আগের মতোই ‘স্থিতিশীল’ থাকবে। বাংলাদেশের জন্য ‘বিবি মাইনাস’ রেটিং বহাল রেখেছে আন্তর্জাতিক এই সংস্থাটি। ফিচ রেটিংয়ের বিবেচনায় ‘বিবি মাইনাস’ রেটিং হচ্ছে, বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন স্থিতিশীল অবস্থায় আছে; কোনো ঝুঁকি নেই।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে রেটিং এজেন্সিটি বলছে, বাংলাদেশের বিদেশি ঋণের পরিমাণ এখনো পরিশোধ সক্ষমতার মধ্যেই রয়েছে। সেই বিবেচনায় বাংলাদেশের জন্য ‘বিবি মাইনাস’ রেটিং বহাল রেখেছে ফিচ। এর অর্থ হলো ঋণখেলাপির ঝুঁকি থাকলেও আর্থিক প্রতিশ্রুতি পূরণে বাংলাদেশের ব্যবসা ও আর্থিক খাতের খাপ খাইয়ে নেওয়ার মতো স্থিতিস্থাপকতা আছে।

ফিচ রেটিং বলছে, ইউক্রেন যুদ্ধ ও বৈশ্বিক সুদহার বৃদ্ধির ফলে যে চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে, বিনিময় হারে নমনীয়তা এবং বিদেশি-সরকারি ঋণের সহায়তার মাধ্যমে তা মোকাবেলা করতে পারে বাংলাদেশ।

আট মাসের মধ্যে বাংলাদেশে বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ ১৬ শতাংশ কমে ৩৮.৯ বিলিয়নে নেমেছে; তার পরও আমদানি কমাতে নীতিগত পদক্ষেপ, জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং বিনিময় হারে বৃহত্তর নমনীয়তার কারণে রিজার্ভের ওপর চাপ কমার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছে ফিচ। এ এজেন্সির পূর্বাভাস বলছে, আমদানিতে লাগাম এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনে কমিয়ে দেওয়ার কারণে ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার নেমে আসবে ৫ শতাংশে, তবে এসব কড়াকড়ি তুলে নিয়ে নিত্যপণ্যের দামে লাগাম টানা গেলে প্রবৃদ্ধ ৬.৪ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।



সাতদিনের সেরা