kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

বিশ্ববাজারে দুই বছর আগের দরে ফিরল সোনা

► অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তায় আরো কমবে দাম ► নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সোনার আকর্ষণ কমছে

বাণিজ্য ডেস্ক   

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিশ্ববাজারে দুই বছর আগের দরে ফিরল সোনা

অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তায় সাধারণত নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সোনার চাহিদা বাড়ে; কিন্তু এ বছর দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা থাকলেও সোনার চাহিদা কমছে এবং পড়ছে দামও। মূলত মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ অব্যাহতভাবে সুদের হার বাড়ানোর কারণে ডলার শক্তিশালী হচ্ছে। এর পাশাপাশি আরো কঠোর মুদ্রানীতির আভাসে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে আকর্ষণ হারাচ্ছে সোনা।

বিজ্ঞাপন

গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্রে পঞ্চম দফায় সুদের হার বৃদ্ধির ফলে ডলার আরো শক্তিশালী হয়েছে। ভবিষ্যতে সুদের হার আরো বাড়ানোর ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি বৈশ্বিক মন্দার আভাসও দেওয়া হচ্ছে। এতে গত শুক্রবার বিশ্ববাজারে সোনার দাম কমে প্রতি আউন্স এক হাজার ৬৫০ ডলারের নিচে নেমেছে, যা দুই বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। সোনার পাশাপাশি রুপা, তামা, স্টিল ও আকরিক লোহার দামও নিম্নমুখী রয়েছে।

বাজারসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং ইকোনমিকসের হিসাবে, গত শুক্রবার বিশ্ববাজারে সোনার দাম ১.৬৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স হয় এক হাজার ৬৪৩ ডলার। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পরপরই গত ১ মার্চ বিশ্ববাজারে সোনার দাম বেড়ে হয় প্রতি আউন্স এক হাজার ৯৫৭ ডলার। সে হিসাবে ছয় মাসে বিশ্ববাজারে সোনার দাম কমেছে ৩১৪ ডলার। ট্রেডিং ইকোনমিকসের বিশ্লেষকরা বলছেন, সোনার দাম আরো কমে আসবে। কারণ মার্কিন বন্ড ইয়েল্ডের চাহিদা আরো বাড়ছে। অনেক বিনিয়োগকারী এখন সোনা বিক্রি করে ডলারভিত্তিক অন্যান্য সম্পদ কিনছেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো মুদ্রানীতি কঠোর করছে। ফেডারেল রিজার্ভ গত সপ্তাহে ৭৫ বেসিস পয়েন্ট সুদের হার বাড়িয়েছে। এর পাশাপাশি অন্য অনেক কেন্দ্রীয় ব্যাংকও সুদের হার বাড়াবে এ সপ্তাহে। এ অবস্থায় বিনিয়োগকারীরা মার্কিন ডলার ও বন্ডে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছেন। এ ছাড়া বৈশ্বিক মন্দার আশঙ্কায়ও মূল্যবান ধাতু থেকে সরে আসছেন অনেকেই।



সাতদিনের সেরা