kalerkantho

শনিবার । ২০ আগস্ট ২০২২ । ৫ ভাদ্র ১৪২৯ । ২১ মহররম ১৪৪৪

ওয়েবিনারে বিশেষজ্ঞরা

গ্যাসের বিকল্প জ্বালানি এখনই খুঁজতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩ জুলাই, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দেশে গ্যাস সংকট এবং বিশ্ববাজারে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধির সমাধান হিসেবে বিকল্প জ্বালানি এখনই খোঁজার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি গ্যাস চুরি বন্ধ এবং দেশে গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধান চালিয়ে যাওয়ার কথাও বলেছেন তাঁরা। গতকাল শনিবার বাংলাদেশ এনার্জি সোসাইটি আয়োজিত ‘স্ট্র্যাটেজি ফর অপটিমাম ইউটিলাইজেশন অব ন্যাচারাল গ্যাস রিসোর্সেস ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক ওয়েবিনারে বিশেষজ্ঞরা এই পরামর্শ দেন।

ওয়েবিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন বুয়েটের সাবেক অধ্যাপক ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ইজাজ হোসেন।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ‘গ্যাস যেহেতু ফুরাবেই, আর আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ছে; আমাদের বিকল্প উপায় খুঁজতে হবে। আবাসিকে গ্যাসের ব্যবহার কমিয়ে বিদ্যুৎ দেওয়া যেতে পারে। অনেক দেশই বিদ্যুৎ দিয়ে রান্না করে। আমরা গ্যাস দিয়ে সার উৎপাদন করব, নাকি সার আমদানি করব—সেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সিএনজিতে মাত্র ৫ শতাংশ গ্যাস যায়। সিএনজিতে বেশ কিছু সমস্যা আছে; যা অটোগ্যাসে (এলপিজি) নেই। সেগুলো বিবেচনায় নিয়ে আমরা এলপিজির দিকে যেতে পারি। ’

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ম. তামিম বলেন, ‘সব সময় বিদ্যুতে গুরুত্ব দেওয়া হয়, জ্বালানিতে দেওয়া হয় না। এ ক্ষেত্রে বাজেটে বরাদ্দও কম। অথচ সাশ্রয়ী জ্বালানি না হলে তো বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ বাড়বে। বাড়বে বিদ্যুতের দাম। এটি সরকারের পরিকল্পনায় থাকা দরকার। ’ তিনি বলেন, ‘অনেক দেশ যুদ্ধের পরে গ্যাস বা তেলের পরিবর্তে কয়লায় যাচ্ছে। আমাদেরও সামনে অনেক কয়লাভিত্তিক বিদ্যুেকন্দ্র আসছে। এরই মধ্যে পায়রা চলে আসছে। রামপাল এ বছরই আসবে। মাতারবাড়ীতেও কাজ চলছে। এদিকে ২০২৪ সালের মধ্যে নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট আসছে। সুতরাং আমাদের এসব জ্বালানিকে এখন গুরুত্ব দিতে হবে। ’

ম. তামিম বলেন, ‘জ্বালানি পরিকল্পনাগুলো ১০ বছর মেয়াদি হওয়া দরকার। এটা আবার পাঁচ বছর পর পর রিভিউ করতে হবে। এখন যে ২০ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা করা হয়েছে, তার কোনো দরকার নেই। ’



সাতদিনের সেরা