kalerkantho

বৃহস্পতিবার ।  ১৯ মে ২০২২ । ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৭ শাওয়াল ১৪৪৩  

কালো টাকার সুযোগ বহাল থাকতে পারে পুঁজিবাজারে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৫ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ ও জমি-ফ্ল্যাট ক্রয় করে নগদ কালো টাকা সাদা করার সুযোগ আগামী ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটেও থাকতে পারে। কালো টাকা সাদা করার সুযোগ অব্যাহত রাখা হতে পারে। বর্তমানে নির্দিষ্ট হারে কর দিয়ে এই সুযোগ আছে। এসব খাতে আগামী ৩০ জুন কালো টাকা সাদা করার সুযোগ শেষ হওয়ার কথা।

বিজ্ঞাপন

তবে এনবিআরের কর্মকর্তারা বলছেন, এই সুযোগ আরো এক বছর বাড়ানো হতে পারে।

এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে কালো টাকা সাদা করায় তেমন সাড়া মেলেনি। এনবিআরের সর্বশেষ হিসাবে, গত জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ৬৯৪ জন কালো টাকা সাদা করেছেন। এর মধ্যে ৫৫৮ জন ফ্ল্যাট ও জমির মালিক কালো টাকায় কেনা সম্পদ দেখিয়েছেন। ১২৩ জন করদাতা তাঁদের নগদ টাকা কিংবা সঞ্চয়পত্র ও এফডিআরের টাকা সাদা করেছেন। এ ছাড়া কালো টাকা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করেছেন মাত্র ১৩ জন বিনিয়োগকারী।

বর্তমানে ফ্ল্যাট ও জমিতে আয়তন ও এলাকাভেদে নির্দিষ্ট পরিমাণ কর দিলে টাকার উৎস সম্পর্কে জানতে চান না কর কর্মকর্তারা। এ ছাড়া নগদ টাকা বা সঞ্চয়পত্র ও নানা ধরনের আমানতের ওপর ২৫ শতাংশ কর ও করের ওপর ৫ শতাংশ জরিমানা দিয়ে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ আছে। এর বাইরে শেয়ারবাজারেও কালো টাকা সাদা করা যায়।

এনবিআর সূত্র জানায়, গত ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল ১০ শতাংশ হারে কর দেওয়ার শর্তে। এই টাকা বিনিয়োগে বাধ্যবাধকতা ছিল শেয়ার মার্কেট, ব্যাংক আমানত, সঞ্চয়পত্র, জমি, ফ্ল্যাটসহ নির্ধারিত কিছু খাতে। ওই বাজেটে মাত্র ১০ শতাংশ কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া হলেও প্রদর্শিত আয়ে করদাতারা সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করেছেন, যা ছিল গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি।

কিন্তু চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে কালো টাকা সাদা করার ক্ষেত্রে নতুন শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়। শর্ত অনুযায়ী, শেয়ার মার্কেট, ব্যাংক ও সঞ্চয়পত্র এবং হাতের নগদ টাকা সাদা করলে ২৫ শতাংশ কর দেওয়ার পাশাপাশি মোট করের ওপর ৫ শতাংশ পেনাল্টি দিতে হয়েছে। তবে শিল্প-কারখানায় বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ কর দিয়েই এই সুবিধা পাওয়া গেছে।



সাতদিনের সেরা