kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ আশ্বিন ১৪২৮। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৫ সফর ১৪৪৩

১২ মাস পর বিশ্ববাজারে কমল খাদ্যপণ্যের দাম

বাণিজ্য ডেস্ক   

২৫ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



১২ মাস পর বিশ্ববাজারে কমল খাদ্যপণ্যের দাম

টানা ১২ মাস বৃদ্ধির পর গত মাসে বিশ্ববাজারে কমেছে খাদ্যপণ্যের দাম। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) এক প্রতিবেদনে জানায়, জুনে বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম মে মাসের চেয়ে কমেছে ২.৫ শতাংশ। তবে এই দাম এখনো এক বছর আগের একই সময়ের চেয়ে ৩৩.৯ শতাংশ বেশি। মে মাসে খাদ্যপণ্যের দাম ৪.৮ শতাংশ বেড়েছিল।

এফএওর তথ্য অনুযায়ী গত মে মাসে বিশ্ববাজারে ভোজ্য তেলের দাম ৭.৮ শতাংশ বাড়লেও জুনে এসে কমেছে ৯.৮ শতাংশ, যা অস্থির এই বাজারের জন্য আশার দিক। বিশেষ করে পাম, সয়াবিন ও সূর্যমুখী তেলের দাম কমেছে। গত মাসে গম ও ভুট্টার দামও কমেছে। গমের দাম ০.৮ শতাংশ কমেছে। এ ছাড়া আমদানি চাহিদা বাড়ায় দুগ্ধপণ্যের দাম কমেছে ১ শতাংশ। তবে জুনে চিনির দাম বেড়েছে ০.৯ শতাংশ। এর ফলে টানা তিন মাস চিনির বাজার ঊর্ধ্বমুখী। এর পাশাপাশি মাংসের দামও বেড়েছে।

এফএওর পূর্বাভাস অনুযায়ী ২০২১ সালে বিশ্বে খাদ্যশস্য উৎপাদন হবে ২৮১৭ মিলিয়ন টন, যা ২০২০ সালের চেয়ে ১.৭ শতাংশ বা ৪৭.৮ মিলিয়ন টন বেশি হবে। এ বছর বিশ্বে গম উৎপাদন হবে ৭৮৪.৭ মিলিয়ন টন, যা এক বছর আগের চেয়ে ১.২ শতাংশ বেশি। আশা করা হচ্ছে, এ বছর রেকর্ড ৫১৯.৫ মিলিয়ন টন ধান আবাদ করা হবে, যা ২০২০ সালের চেয়ে ১.০ শতাংশ বেশি হবে।

এফএওর আরেক প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনা মহামারির কারণে বিশ্বের অনেক দেশেই মানুষের আয় কমেছে। ফলে দরিদ্র দেশের বিশাল জনসংখ্যা খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। বিশ্বের ৪৫টি দেশের বাইরের খাদ্য সহায়তা প্রয়োজন। এর মধ্যে আফ্রিকার ৩৪টি দেশ, এশিয়ার ৯টি এবং লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় দুইটি দেশে এই সহায়তা প্রয়োজন। দেশগুলোর যুদ্ধ-সংঘাত এবং জলবায়ু পরিবর্তনও খাদ্য সংকটে ভূমিকা রাখছে।

সূত্র : রিলিফওয়েভ।



সাতদিনের সেরা