kalerkantho

শনিবার । ১০ আশ্বিন ১৪২৮। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৭ সফর ১৪৪৩

কর অব্যাহতি দেওয়া নিয়ে কিছু বিতর্ক রয়েছে

ড. সায়মা হক বিদিশা, ঢাবির অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও সানেমের গবেষণা পরিচালক

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৬ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কর অব্যাহতি দেওয়া নিয়ে কিছু বিতর্ক রয়েছে

প্রস্তাবিত ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটে কর অব্যাহতি দেওয়া নিয়ে কিছু বিতর্ক রয়েছে। কর খাতে, ব্যাংকিং খাতে যে সংস্কার দরকার, সেগুলোকে কেন্দ্র করে একটা কর্মপরিকল্পনা দরকার ছিল। আয়করের জাল বিস্তৃত করতে হবে। দারিদ্র্য দূরীকরণ, বৈষম্য দূরীকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এই তিনটিকে যদি মোটা দাগে আমাদের কর্মপরিকল্পনার অভীষ্ট লক্ষ্য হিসেবে ধরি, এর একটা বড় হাতিয়ার হচ্ছে করব্যবস্থার সংস্কার। আয়করটা সেখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উচ্চবিত্তদের কিভাবে কর জালের আওতায় আনব সেই বিষয়টাকে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। করের সংস্কার না হলে বৈষম্য কমাতে পারব না। গতকাল শনিবার সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ড. সায়মা হক বিদিশা।

তিনি বলেন, ‘আমাদের জাতীয় নীতিমালার আলোকে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে ঢেলে সাজানোর এটাই একটা সুযোগ ছিল। মাথাপিছু বরাদ্দ বাড়ানো, শহুরে দরিদ্রদের নিয়ে পরিকল্পনা করা এবং কর্মসংস্থানমুখী সামাজিক নিরাপত্তা খাত তৈরি করা দরকার ছিল। সামাজিক সুরক্ষা খাতে আরো বেশি অর্থপ্রবাহ বাড়িয়ে অর্থনীতিতে চাহিদা তৈরি করা সম্ভব ছিল। অন্ততপক্ষে অল্প কয়েক মাসের জন্য হলেও তা করা সম্ভব। সার্বিকভাবে এই বিষয়গুলো আসবে তা আমাদের প্রত্যাশা ছিল। বাজেট পাস করার আগে খুব বৈপ্লবিক কোনো পরিবর্তন না হলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে সংস্কারের ইঙ্গিত দেখার প্রত্যাশা রইল।

তিনি বলেন, ‘সার্বিকভাবে আমরা এই বাজেট থেকে কী চেয়েছিলাম? প্রত্যাশা প্রাপ্তির ফারাকটা মূলত যে কারণে, সেটা হচ্ছে যে, এই বাজেটে মূলত ছোট ছোট কিছু নীতির মাধ্যমে ব্যাষ্টিক পর্যায়ে কিছু প্রণোদনা, উদ্দীপনা, ছাড়ের মাধ্যমে ব্যবসাগুলোকে সহায়তা করে সাধারণ মানুষকে বাঁচানোর চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু সার্বিকভাবে আমাদের প্রত্যাশা ছিল কর্মসংস্থান ও দারিদ্র্য বিমোচন এই দুটি বিষয়কে সামনে রেখে সামাজিক অবকাঠামো, স্বাস্থ্য ও শিক্ষাকে সামনে রেখে এই বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে বরাদ্দ তো বৃদ্ধি করা হবেই, পাশাপাশি খুব পরিষ্কার একটি রোডম্যাপ থাকবে।



সাতদিনের সেরা