kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৩ আষাঢ় ১৪২৮। ১৭ জুন ২০২১। ৫ জিলকদ ১৪৪২

সিলেটে ১০ বছরের জন্য কর অবকাশ চাই

এ টি এম শোয়েব, সভাপতি, সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি

সিলেট অফিস   

৯ মে, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সিলেটে ১০ বছরের জন্য কর অবকাশ চাই

গত বছরের দীর্ঘ লকডাউনের ধকল কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই আবার বিপদে সিলেটের ব্যবসায়ীরা। তাঁদের অবস্থা এখন—‘আগে জীবিকা পরে জীবন’। বাজেটে তাঁদের মতো ব্যবসায়ীদের জন্য সুদবিহীন ঋণ এবং থোক বরাদ্দ জরুরি। সম্প্রতি কালের কণ্ঠকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি এ টি এম শোয়েব।

স্বাস্থ্য খাতকে ঢেলে সাজানো দরকার বলে মনে করেন এই ব্যবসায়ী নেতা। তিনি বলেন, ‘করোনা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে এ খাতের দিকে আমাদের গভীর মনোযোগ দেওয়া দরকার। পাশাপাশি বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে ডিসপজেবল সিরিঞ্জ থেকে শুরু করে জীবনরক্ষাকারী ইকুইপমেন্ট শুল্কমুক্ত আমদানির সুযোগ রাখার প্রস্তাব করছি এবারের বাজেটে।

স্বাস্থ্যের পাশাপাশি বাজেটে কৃষির বিষয়টিকে আলাদা গুরুত্ব দেওয়া দরকার মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘করোনা আমাদের কতদিন পর্যন্ত ভোগাবে সেটা বলা মুশকিল। যে কারণে খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়টিকে এবার সবচেয়ে গুরুত্ব দেওয়া উচিত বাজেটে। কৃষকের পুঁজি রিটার্নের গ্যারান্টি না থাকলে সে ফসল ফলানোর উৎসাহ হারাবে।’

তিনি বলেন, ‘সিলেটে শিল্প-কারখানা স্থাপনে উৎসাহ জোগাতে ১০ বছরের জন্য ট্যাক্স হলিডে ঘোষণা করা যেতে পারে। একইভাবে এখানে যেহেতু পর্যটনের অপার সম্ভাবনা রয়েছে তাই পর্যটনে বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও ১০ বছরের জন্য ট্যাক্স হলিডে ঘোষণা করা যেতে পারে। বাজেটকে সামনে রেখে এ রকম একটি প্রস্তাব আমরা চেম্বার থেকে পাঠিয়েছি।’

সিলেটের ব্যবসা অন্য অঞ্চলের চেয়ে ভিন্ন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সিলেটে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এখানে বড় শিল্প-কারখানা গড়ে ওঠেনি। শিল্প-কারখানা থাকলে অর্থের সার্কুলেশন বাড়ে। বেশিসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান হয়। এখানে ব্যবসা-বাণিজ্য মূলত ট্রেডিংকেন্দ্রিক।’ তিনি আরো বলেন, ‘এ কারণে করোনা পরিস্থিতিতে বেশি ভুগছেন সিলেটের ব্যবসায়ীরা। গত বছর করোনা শুরুর পর দীর্ঘমেয়াদি যে লকডাউন হয়েছিল তাতে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হন ব্যবসায়ীরা। সেই ধকল গত এক বছরেও কাটিয়ে উঠতে পারেননি তাঁরা। এ অবস্থায় নতুন করে করোনা সংক্রমণ বাড়ায় লকডাউনসহ যে ধাক্কা নতুন করে এসেছে সেটি তাঁদের অনেকটা অসহায় করে দিয়েছে। এখন সামনে ঈদে যদি ব্যবসা করতে না পারেন তবে অনেককে পথে বসতে হবে। ’



সাতদিনের সেরা