kalerkantho

রবিবার । ৬ আষাঢ় ১৪২৮। ২০ জুন ২০২১। ৮ জিলকদ ১৪৪২

কর্মসংস্থানমুখী উদ্যোগ নিতে হবে দরিদ্রদের রক্ষায়

মোস্তফা সোহরাব চৌধুরী টিটু, সভাপতি, রংপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর   

৯ মে, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কর্মসংস্থানমুখী উদ্যোগ নিতে হবে দরিদ্রদের রক্ষায়

করোনা মহামারি রংপুর অঞ্চলের অর্থনীতিকে আরো ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে বলে মন্তব্য করেছেন রংপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মোস্তফা সোহরাব চৌধুরী টিটু। কালের কণ্ঠকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, রংপুর বিভাগের অর্থনীতি মূলত কৃষির ওপরই নির্ভরশীল। তাই পিছিয়ে পড়া রংপুর অঞ্চলের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে হলে কৃষিভিত্তিক শিল্পায়নের বিকল্প নেই।

রংপুর চেম্বার সভাপতি বলেন, রংপুর বিভাগে গরিব মানুষের সংখ্যা বেশি। করোনাকালীন মহামারিতে দেশের গার্মেন্টসহ অসংখ্য কারখানা বন্ধ হওয়ায় রংপুর অঞ্চলের হাজার হাজার কর্মী বেকার হয়ে পড়েছেন। এই সময়ে শিল্প-কারখানার চাকা বন্ধ থাকলেও মাঠে কাজ করছেন এখানকার কৃষক। করোনা এখন পর্যন্ত এ অঞ্চলের কৃষি ও কৃষককে থামাতে পারেনি। থেমে নেই কৃষিপণ্য উৎপাদনও। সম্প্রতি কালের কণ্ঠে প্রকাশিত ‘চাকরি হারিয়ে গ্রামে দুই লাখ মানুষ, রংপুরে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা’ শীর্ষক প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, করোনা সংকটের কারণে রংপুর অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ কাজ হারিয়ে রাজধানী ঢাকা থেকে গ্রামে ফিরছেন। শুধু স্বল্প আয়ের মানুষ না, মধ্য আয়ের মানুষও চাকরি হারিয়ে গ্রামে চলে আসছেন। অন্যদিকে গ্রামীণ অর্থনীতিও চাপের মুখে পড়েছে। তাই রংপুর বিভাগের মানুষের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে দ্রুত সরকারকে সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ নিতে হবে।

বর্তমান সরকারের দু-একটি মেগাপ্রকল্প রংপুর বিভাগে স্থাপনের পরামর্শ দিয়ে এ ব্যবসায়ী নেতা বলেন, মহামারিতে ঘোষিত লকডাউনে বহুমাত্রিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে সাধারণ মানুষ। ফেরিওয়ালা, হকার, ভ্যানে পণ্য বিক্রেতা থেকে শুরু করে মাঝারি ব্যবসায়ী সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। যাঁরা চাকরি করতেন, অনেকের চাকরি চলে গেছে। অনেকের চাকরি আছে, বেতন পান না। তাই এবারের বাজেটে কর্মসংস্থানকেই সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।