kalerkantho

রবিবার । ৬ আষাঢ় ১৪২৮। ২০ জুন ২০২১। ৮ জিলকদ ১৪৪২

কৃষি-অকৃষি দুটিতেই নজর দিতে হবে

অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান, নির্বাহী পরিচালক, সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং (সানেম)

৯ মে, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কৃষি-অকৃষি দুটিতেই নজর দিতে হবে

গ্রামীণ অর্থনীতিতে করোনা মহামারির যথেষ্ট চাপ পড়েছে তা আমরা জানি। এতে শহরের পাশাপাশি গ্রামীণ আয়ের উৎসও বিঘ্নিত হয়েছে। ফলে আয়ের উৎসগুলোকে স্বাভাবিক করার পাশাপাশি কিভাবে গ্রামভিত্তিক কর্মসংস্থান আরো বাড়ানো যায় সেদিকে বাজেটে নজর দিতে হবে। কৃষি ও অকৃষিভিত্তিক অর্থনীতি দুটির প্রতিই সরকারকে গুরুত্ব দিতে হবে।

সরকার কৃষিতে যে বরাদ্দ দিয়ে আসছে তা পর্যাপ্ত বলা যায় না। দেশের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য কৃষি উৎপাদন অব্যাহত রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খাদ্য উৎপাদনের বিষয়টি শুধু গ্রাম নয়, শহরের মানুষকেও প্রভাবিত করছে। খাদ্য উৎপাদন স্বাভাবিক থাকলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখাও সহজ হবে। তাই সার, বীজ, কৃষি যন্ত্রাংশসহ সার্বিক কৃষি খাত বাজেটে বরাদ্দ বাড়াতে হবে। এর পাশাপাশি অকৃষি খাতেও যাতে বিনিয়োগ উৎসাহিত হয় সে বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে। গ্রামে যেসব কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে উঠছে যেমন, পোল্ট্রি, দুধ, মাংস, ফল ইত্যাদি প্রক্রিয়াকরণ ব্যবস্থা ইত্যাদি গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে সরকার খুব বেশি সহায়তা দিচ্ছে এমনটি চোখে পড়ে না। অথচ এই সম্ভাবনাগুলোকে কাজে লাগানো গেলে খাদ্য নিরাপত্তা যেমন বাড়বে তেমনি কর্মসংস্থানের একটি বড় সুযোগ তৈরি হবে।

সরকার রেমিট্যান্সে যে ভর্তুকি দিচ্ছে তাতে অনেকেই লাভবান হচ্ছে এটা ঠিক, কিন্তু অনেক পরিবারেও তো রেমিট্যান্স সরবরাহ বিঘ্নিত হয়েছে করোনায়। তাই সরকার যে খরচ এখানে করছে তা কিভাবে গ্রামীণ অর্থনীতিতে আরো ভালোভাবে কাজে লাগানো যায়, যাতে সবাই উপকৃত হয় সেভাবে দেখতে হবে। রেমিট্যান্সের বিনিয়োগ যাতে হয় সেদিকে উৎসাহ দিতে হবে।

সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মুহম্মদ শরীফ হোসেন