kalerkantho

বুধবার । ৮ বৈশাখ ১৪২৮। ২১ এপ্রিল ২০২১। ৮ রমজান ১৪৪২

ই-কুরিয়ারে লেনদেন বেড়েছে ৪৮ শতাংশ

এ এস এম সাদ   

৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ই-কুরিয়ারে লেনদেন বেড়েছে ৪৮ শতাংশ

রহিমা খাতুন (৩৯) একজন সরকারি কর্মকর্তা। গত সপ্তাহে অফিসের কাজে যশোরে গিয়েছিলেন। তবে ঢাকায় এসে তিনি খেয়াল করলেন সেই গুরুত্বপূর্ণ একটি ফাইল হোটেলে রেখে এসেছেন। এমন সময় যোগাযোগ করলে সেখান থেকেই ই-কুরিয়ার মাধ্যমে ২৫ ঘণ্টার মধ্যেই তিনি সেই ফাইলটি ফেরত পান। চার্জ দিতে হয় মাত্র ১৫০ টাকা।

আগের থেকে কুরিয়ার সার্ভিস জনপ্রিয় থাকলেও করোনা-পরবর্তী সময়ে এর ব্যাপকতা আরো বেড়েছে। বিশেষ করে করোনা-পরবর্তী সময়ে ফুড ডেলিভারির ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়েছে শহরের মানুষ। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, দিনে প্রায় তিন কোটি টাকার লেনদেন হচ্ছে এই খাতে। অন্যান্য কুরিয়ার সার্ভিস কম্পানির মতো রহিমা খাতুনকে ২৫ ঘণ্টার মধ্যেই প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পৌঁছে দিচ্ছে ই-কুরিয়ার। গত বছর কম্পানিটির আর্থিক লেনদেন প্রায় ৪৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

২০১৪ সালে দুটি সাইকেল আর দৈনিক ১০টি ডেলিভারি দিয়ে যাত্রা শুরু করে ই-কুরিয়ার। শুধু ঢাকা নয়, সারা দেশেই পণ্য ডেলিভারির কাজ করে প্রতিষ্ঠানটি। ২০১৫ সালে লাইসেন্স পায় প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিষ্ঠানটির সিইও বিপ্লব ঘোষ রাহুল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘২০১৪ সাল থেকেই দেশে কুরিয়ার চাহিদা ছিল অনেক। তখন আমার একটি সফটওয়্যার কম্পানি ছিল। সেই কম্পানির অধীনেই একটা সফটওয়্যার তৈরি করি। যার নাম ই-কুরিয়ার। পরবর্তী সেই সফটওয়্যার দিয়েই আমাদের কার্যক্রম শুরু করি।’

বর্তমানে ৬৪ জেলায় স্থায়ী ও চুক্তিভিত্তিক প্রায় ৯০০ জনের মতো কর্মরত আছেন। কম্পানিটির

দৈনিক ডেলিভারি প্রায় ১২ হাজারের মতো। ই-কমার্সের প্রায় প্রত্যেকটি কম্পানি প্রতিষ্ঠানটির ক্লায়েন্ট। করোনা ও পরবর্তী সময় ফুড ডেলিভারির সেবা দিয়ে আসছে কম্পানিটি।

চলতি মাসের ১৫ তারিখে ই-কুরিয়ার একটি নতুন ফুড সার্ভিস চালু হতে যাচ্ছে। ডেলিভারির ক্ষেত্রে নতুন কিছু লঞ্চিং করার পরিকল্পনাও আছে কম্পানিটির। দেশে কুরিয়ার বাজারে প্রায় ৩০ শতাংশ জায়গা দখল করে আছে কম্পানিটি। আধা কেজি পর্যন্ত পণ্যের জন্য ঢাকার মধ্যে ৬০ টাকা এবং ঢাকার বাইরের জেলা শহরগুলোতে সর্বনিম্ন ১০০ টাকা নেয় তারা। তবে ইউনিয়ন পর্যন্ত গেলে দিতে হবে ১৫০ টাকা। আধা কেজির পর প্রতি কেজির জন্য যুক্ত হয় সর্বনিম্ন ১৫ টাকা। নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ ছাড় দেয় ই-কুরিয়ার।

বিপ্লব ঘোষ জানান, ঢাকার বাইরে তাঁদের ডেলিভারি বেশি। সর্বোচ্চ ৪৮ ঘণ্টায় ডেলিভারি দেওয়া হয়। পণ্যের লাইভ ট্র্যাকিং সুবিধা রয়েছে। এতে গ্রাহক তাঁর পণ্যের তাত্ক্ষণিক অবস্থান জানতে পারেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা