kalerkantho

বুধবার । ১৮ ফাল্গুন ১৪২৭। ৩ মার্চ ২০২১। ১৮ রজব ১৪৪২

গরিবের শিল্পে সাজে ধনীর ঘর

এ এস এম সাদ   

১৭ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গরিবের শিল্পে সাজে ধনীর ঘর

ধনীদের শৌখিন ঘরের নান্দনিকতা এনে দেয় নানা রকমের তৈজসপত্র কিংবা শোপিস। ঘরে কিংবা ড্রয়িং রুমে বাহারি রকমের শোপিসগুলো এনে দেয় যেন আভিজাত্যের ছোঁয়া। নান্দনিক এসব শিল্পকর্ম যাদের নিপুণ হাতে তৈরি তারা এই সমাজের দরিদ্র শ্রেণি। বিশেষ করে প্রত্যন্ত গ্রামের দরিদ্র নারীরা সময় নিয়ে অত্যন্ত যত্নসহকারে হস্তশিল্পের নানা পণ্য তৈরি করে, সামান্য আয় দিয়ে গড়ে তোলেন পরিবারের অর্থনৈতিক অবলম্বন।

বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া আফিয়া তাবাসসুম। ধানমণ্ডিতে তাঁর বসার ঘরে গেলেই দেখা মিলবে হরেক রকমের মাটির শোপিস ও ফুলের টব। তিনি তাঁর ঘরের দেয়ালের তাকে ঝুলিয়ে রেখেছেন বিভিন্ন রকমের তৈজসপত্র। আফিয়া বলেন, ছোটবেলা থেকেই মাটির তৈরি জিনিসপত্রে একটা আলাদা রকমের ঝোঁক ছিল। তাই সেই ঝোঁক থেকেই মাটির তৈরি শোপিস সংগ্রহ করা হয়। আবার তাবাসসুমের বেলকনিতে গেলেই দেখা মিলবে বেতের ঝোলানো ফুলের টব। তবে তাঁর বাসার ড্রয়িং রুমেই গেলে চোখ একেবারে ছানাবড়া। পুরো ড্রয়িং রুমে পিতলের শোপিস।

তাবাসসুমের মা রেহানা খানম এসব পিতলের শোপিস সেই ২০ বছর ধরে সংগ্রহ করছেন। নতুন-পুরনো সব ধরনের শোপিস তাঁর ড্রয়িং রুমে জায়গা করে নিয়েছে। রেহানা খানম বলেন, ‘নানা শোরুম থেকে এই শোপিসগুলো কেনা হয়েছে। হাতে তৈরি এসব পণ্য পিতলের ঐতিহ্যের বাহক। তাই কালেকশন করতে ভালো লাগে। আবার ঘরেও আসে আভিজাত্যের ছোঁয়া।’ আবার রেহানা খানমের ড্রয়িং রুমে সোভা পেয়েছে বেতের তৈরি সোফার সেট। পুরো রুমেই বেতের তৈরি তৈজসপত্রে সজ্জিত। দুপুরে খাবার টেবিলে দেখা মিলল পাটের তৈরি ম্যাট। রেহানা খানম জানান, বেশির ভাগ শোপিস কিনেছেন বিভিন্ন শোরুম থেকে।

হস্তশিল্পের মধ্যে বেশি চাহিদা থাকে মাটির তৈরি জিনিসপত্রের। বিশেষ করে ভালো ফিনিশিং দেওয়া মাটির তৈজসপত্র কালেকশন আনা হয় রাজধানীর শোরুমগুলোতে। আবার মাটির তৈরি জিনিসের ওপর অঙ্কিত রংও টিকে বেশি দিন। ফলে বাসার ড্রয়িং ও বেড রুমে সোভা পায় নানা রকমের তৈরি পণ্য।

মৃিশল্পীদের হাতের তৈরি দৃষ্টিনন্দন এসব জিনিস নজর কাড়ছে তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের। আবার দাম কম হওয়ায় চাহিদাও বেশি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা