kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৪ ফাল্গুন ১৪২৭। ৯ মার্চ ২০২১। ২৪ রজব ১৪৪২

সাক্ষাৎকার

বিশ্বের শীর্ষ ১০ ব্র্যান্ডে নাম লেখাবে হালদা ভ্যালি

শামীম খান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, হালদা ভ্যালি টি এস্টেট লিমিটেড

২৭ ডিসেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বিশ্বের শীর্ষ ১০ ব্র্যান্ডে নাম লেখাবে হালদা ভ্যালি

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির নারায়ণহাট ইউনিয়নে চায়ের বাগানটি গত বছর চা উৎপাদনে ‘সেরা পুরস্কার’ পেয়েছে। বাগানটি হালদা ভ্যালির। এর মালিকানায় আছে পেডরোলো এনকে লিমিটেড। ১৯০৫ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত চা বাগানটি ছয়টি সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হাত ঘুরে সব শেষে আসে পেডরোলো গ্রুপের কাছে।

ব্ল্যাক টির পাশাপাশি এখন সাদা চা উৎপাদন শুরু করেছে এই বাগান। ‘সিলডার নিডল হোয়াইট টি’ নামে তা বাজারজাতও করছে। আবার চীনের গ্রিন টিও তৈরি করা হচ্ছে এখানে। এমন সব বিশেষায়িত চায়ের পাশাপাশি অন্যান্য উন্নত মানের খাদ্য এবং পানীয় ভোক্তাদের সরবরাহের মাধ্যমে উন্নত জাতি গঠনে সহায়তা করাই লক্ষ্য প্রতিষ্ঠানটির। হালদা ভ্যালি ব্র্যান্ডকে বিশ্বের প্রথম সারির ১০টি চায়ের ব্র্যান্ডের মধ্যে নিয়ে আসার পরিকল্পনার কথা জানালেন হালদা ভ্যালি টি এস্টেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শামীম খান। সম্প্রতি কালের কণ্ঠকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।

সব মিলিয়ে পাঁচ স্পেশালাইটি চা আছে হালদা ভ্যালির। যেমন : ড্রাগন ওয়েল গ্রিন টি, গোল্ডেন আইব্রো ব্ল্যাক টি, সিলভার নিডল হোয়াইট টি, রেড রব ওলং টি এবং আয়রন গডেস ওলং টি। এ ছাড়া হালদা ভ্যালি সি টি সি ব্ল্যাক টিও বাজারজাত করছে।

তিনি বলেন, ‘স্পেশালাইটি টির হিসাব অনুযায়ী, হালদা ভ্যালির মার্কেট শেয়ার ৮ শতাংশের মতো। আমাদের দুটি বাগান আছে, যা ফটিকছড়ি ও রামগড়ে অবস্থিত। এই দুটি বাগানে আমাদের প্রায় তিন হাজার কর্মী কাজ করছে।’

হালদা ভ্যালির চায়ের বিশেষত্ব জানতে চাইলে শামীম খান বলেন, ‘আমাদের চা প্রাকৃতিক, আনব্লেনডেড এবং সিঙ্গেল এস্টেট অরিজিন-যাতে সেরা স্বাদের চা আপনাদের হাতে তুলে দেওয়া যায়। আমাদের চা নিজস্ব বাগানে উৎপাদিত এবং চীনা টি মাস্টার দ্বারা নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও আমাদের কর্মী দ্বারা যত্নে তৈরি হয়। আমারা নিশ্চিত করি সব থেকে সেরা স্বাদ, গুণগত মান এবং নিরাপদ প্যাক। যাতে চায়ের অতুলনীয় স্বাদ থাকে লম্বা সময় ধরে।’

শামীম খান বলেন, ‘আমাদের গ্রিন টি আছে, যা বাজারে হালদা ভ্যালি ড্রাগন ওয়েল গ্রিন টি নামে পরিচিত। যেটি এই মুহৃর্তে বাজারে সেরা স্বাদের জন্য সমাদৃত, এই চা চীনের পাঁচ হাজার বছরের ঐতিহ্য ধারণ করে, আমরা প্রথম এই চা বাংলাদেশে প্রচলন করছি। একটি কুঁড়ি এবং একটি পাতা আদর্শ ধরে সব থেকে কচি পাতাটা নিই, যা ৩ সে মি এর থেকে বড় নয়, তারপর আমরা চা পাতার আর্দ্রতা রক্ষা করে পাতাকে প্যান ফ্রাই করা হয়, যাতে চায়ের সুন্দর রং ও স্বাদ আপনাকে বিমোহিত করে।’

করোনার কারণে বিশ্বে যেসব পণ্যের চাহিদা বেড়েছে তার মধ্যে ওষুধ ও ওষুধজাত পণ্য রয়েছে। এর পাশাপাশি কৃষিজাত পণ্য হিসেবে চা রপ্তানিও বেড়েছে। কারণ কভিড-১৯ সংক্রমণ ঠেকাতে চা একটি গুরুত্বপূর্ণ পানীয় হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ফলে বিশ্বব্যাপী পণ্যটির অতিরিক্ত চাহিদা তৈরি হয়েছে বলে জানান শামীম খান।

 

সাক্ষাৎকার নিয়েছেন : মাসুদ রুমী

মন্তব্য