kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ মাঘ ১৪২৭। ২৮ জানুয়ারি ২০২১। ১৪ জমাদিউস সানি ১৪৪২

বিদেশেও প্রাণ ঝটপটের চাহিদা বাড়ছে

কামরুজ্জামান কামাল, বিপণন পরিচালক প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ

৬ ডিসেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বিদেশেও প্রাণ ঝটপটের চাহিদা বাড়ছে

কর্মব্যস্ত জীবনে ক্রমেই জনপ্রিয় হচ্ছে হিমায়িত খাবার ঝটপট। নাশতা কিংবা খাবার তৈরির ঝামেলা থেকে বাঁচতে মানুষ এটিকেই পছন্দ করছে। কালের কণ্ঠকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিপণন পরিচালক কামরুজ্জামান কামাল।

তিনি বলেন, দ্রুত নগরায়ণের সঙ্গে মানুষের আর্থিক সক্ষমতাও বাড়ছে। রুচিবোধেও পরিবর্তন আসছে। তাই প্রাণের হিমায়িত খাবার ও স্ন্যাকসের চাহিদাও বাড়ছে। মানুষ রেস্তোরাঁ কিংবা অন্যান্য দোকানে গিয়ে যেসব খাবার খেত তা এখন বাজার থেকে এনেই ঝটপট ভেজে রান্না করে খেতে পারছে।

তিনি বলেন, কয়েক বছর ধরেই মানুষ ফ্রোজেন খাবারে বেশি ঝুঁকছে। বাসায় মেহমান এলে ফ্রোজেন খাবার তেলে ভেজেই পরিবেশন করা যায়। তবে ইদানীং মানুষের খাদ্যাভ্যাসেও এসেছে পরিবর্তন। চিকেন নাগেটস রান্না করেই খেয়ে ফেলা যাচ্ছে। আবার বাচ্চাদের জন্য মজাদার ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ও নাগেটস রান্না করে দেওয়া যায়, এতে খেয়ে বাচ্চাদের আমিষের চাহিদাও মেটে আবার খেতেও মজাদার। বর্তমানে স্ন্যাকসজাতীয় খাদ্যের বাজার বছরে ৫০০ কোটি টাকা। প্রতিবছর দেশীয় বাজারে ফ্রোজেন ফুডের চাহিদা ২৫ শতাংশ হারে বেড়ে চলেছে। দেশে প্রাণসহ ১৯টি কম্পানি স্ন্যাকসজাতীয় হিমায়িত খাবারের ব্যবসায় জড়িত।

তিনি বলেন, ‘২০১৩ সালে হিমায়িত খাদ্যের বাজারে আসে প্রাণ-আরএফএলের ঝটপট ফ্রোজেন ফুড। বর্তমানে ঝটপট ব্র্যান্ডের অধীনে ২৫ ধরনের পণ্য রয়েছে। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে পরোটা, শিঙাড়া, সমুচা, রুটি, চিকেন, চিকেন নাগেটস, স্প্রিং রোল, চিকেন পেটি, চিকেন সসেজ, পুরি, পপকর্ন, স্টিপস, ফ্রেঞ্চ ফ্রাইসহ বিভিন্ন পণ্য। প্রতিবছর দেশ ও দেশের বাইরে চাহিদা জোগানে সক্ষমতা বাড়াচ্ছি আমরা। প্রাণ-আরএফএল গত বছর দুই হাজার ২৮৯ টন ফ্রোজেন খাবার রপ্তানি করে, যা ২০১৮ সালের থেকে ৭০ শতাংশ বেশি। চলতি অর্থবছরে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত রপ্তানি করে এক হাজার ৯৫৮ টন। আবার দেশীয় বাজারেও ফ্রোজেনের জোগান দিচ্ছে প্রাণ। চলতি বছর ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত দেশীয় বাজারে এক হাজার ৯৭৪ টন ফ্রোজেনের জোগান দিয়েছে।’

দেশের বাইরে ঝটপট ফ্রোজেন ফুডসের ব্যাপক চাহিদা তৈরি হচ্ছে। বিদেশে ঝটপট ব্র্যান্ডের পরোটা ও ভেজিটেবল স্ন্যাকসের চাহিদা বেশি। যদিও চলতি বছর করোনার কারণে দেশে ঝটপটের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় রপ্তানির পরিমাণ কিছুটা সীমিত ছিল। তবে এখন পুরোদমে আবার রপ্তানি শুরু হয়েছে। আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, সিঙ্গাপুরসহ কয়েকটি দেশে ঝটপটের পণ্য রপ্তানি হচ্ছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে মালয়েশিয়া, সৌদি আরব, আরব আমিরাত, ওমানে ঝটপটের পণ্য রপ্তানি শুরু হবে।

সাক্ষাৎকার নিয়েছেন এ এস এম সাদ

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা