kalerkantho

রবিবার। ৩ মাঘ ১৪২৭। ১৭ জানুয়ারি ২০২১। ৩ জমাদিউস সানি ১৪৪২

সাক্ষাৎকার

মেলার বিকল্প ব্যাপক প্রচারণা চালাতে হবে

এবার বিশেষ করে করপোরেট আয়করের ক্ষেত্রে কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানকে ছাড় দিতে হবে। কারণ অনেক করপোরেট প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে, লাভ কম হয়েছে
ড. এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ

২৯ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মেলার বিকল্প ব্যাপক প্রচারণা চালাতে হবে

আয়কর মেলা সাধারণ মানুষকে অনুপ্রাণিত করে। অনেকেই আয়কর রিটার্ন দেওয়ার জন্য আয়কর মেলার জন্য অপেক্ষা করে। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে যেহেতু এ বছর আয়কর মেলার আয়োজন সম্ভব হচ্ছে না। তাই মেলার বিকল্প হিসেবে মিডিয়ার মাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারণা চালাতে হবে। যেন মানুষজন আয়কর দিতে উৎসাহিত হয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) যেসব লোক ফিল্ড লেভেলে রয়েছেন তাঁদের সক্রিয়ভাবে কাজ করতে হবে। আমাদের একটি চিরন্তন সমস্যা হচ্ছে, দেশটির টিআইএন নম্বরধারীর মধ্যে অনেকেই আছেন বছর শেষে আয়কর রিটার্ন জমা দেন না। আবার কিছু আছেন কয়েক বছর ধরে দেননি।

টিআইএন নম্বরধারীরে তালিকা যেহেতু জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাছে রয়েছে, তাদেরও ব্যক্তিগতভাবে ও ই-মেইল পাঠিয়ে আয়কর রিটার্ন দেওয়ার অনুরোধ করা যেতে পারে। অনেকের ধারণা, প্রতিবছর আয়কর মেলায় বেশির ভাগ মানুষ আয়কর রিটার্ন জমা দিয়ে থাকে, কিন্তু তাদের ধারণা ভুল। মোট আয়কর সংগ্রহের প্রায় ১৫ শতাংশের মতো আয়কর মেলা থেকে সংগ্রহ হয়। ভলান্টেরি পেমেন্ট উৎসাহিত করা, ব্যক্তিগতভাবে ও ই-মেইল পাঠিয়ে করদাতাদের উৎসাহিত করা যেতে পারে। আর যারা আয়কর রিটার্ন না দেবে প্রয়োজনে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া। তাহলে করোনাকালেও আয়কর আদায় করা সম্ভব হবে। তবে এবার বিশেষ করে করপোরেট আয়করের ক্ষেত্রে কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানকে ছাড় দিতে হবে। কারণ অনেক করপোরেট প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে, লাভ কম হয়েছে। করপোরেট আয়কর জোর করে আদায় করতে হবে না, আইনত যাদের লাভ হচ্ছে তারাই আয়কর দেবে। যদি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে, উৎপাদন না হয় তাহলে তার কাছ থেকে আয়কর নেওয়া যাবে না।

—সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সজীব আহমেদ

মন্তব্য