kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ১ ডিসেম্বর ২০২০। ১৫ রবিউস সানি ১৪৪২

বন্যা ও ভারি বর্ষণে কমেছে ফলন

লিমন বাসার, বগুড়া   

২৫ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বগুড়ার মহাস্থান হাটে চাষি মান্নান মিয়া আড়াই মণ (১০০ কেজি) বেগুন বিক্রি করেছেন দুই হাজার ২০০ টাকা মণ দরে। প্রতি কেজি বেগুনের দাম কৃষকপর্যায়েই ছিল ৫৫ টাকা। সেই বেগুন হাতবদল হয়ে বগুড়া শহরের ফতেহ আলী বাজারে বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৮০ টাকা। শুধু যে বেগুন তা নয়, সব সবজির দামই আকাশছোঁয়া। চাষি ও ব্যবসায়ীরা জানান, বন্যা ও টানা ভারি বর্ষণের কারণে সবজির আবাদ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে উৎপাদন কমায় দাম বেড়েছে।

সরেজমিন উত্তরাঞ্চলের সর্ববৃহৎ সবজির মোকাম বগুড়ার মহাস্থান বাজার ঘুরে দেখা যায়, কৃষকপর্যায়েই সবজির দাম অনেক বেশি। সেখানে কচুরমুখী ও মুলা এক হাজার থেকে এক হাজার ২০০ টাকা মণ, করলা দুই হাজার ৪০০ থেকে দুই হাজার ৬০০ টাকা মণ, পটোল ও বেগুন দুই হাজার থেকে দুই হাজার ৩০০ টাকা মণ, কাঁকরোল এক হাজার ৮০০ টাকা থেকে দুই হাজার টাকা মণ, ফুলকপি দুই হাজার ৮০০ থেকে তিন হাজার টাকা মণ, কাঁচা মরিচ ২০০ টাকা কেজি, প্রতিটি লাউ ৫০ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়াও শীতকালীন সবজি শিম, পাকা টমেটো প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ২০০ টাকায়। গাজর প্রতি কেজি ৮০ টাকা, ঝিঙ্গা ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বগুড়ার সদর উপজেলার লাহেড়িপাড়া ইউনিয়নের সাতশিমুলিয়া গ্রামের সবজি চাষি আসালত আলী জানান, তিনি এবার দুই বিঘা জমিতে পটোল ও করলা লাগিয়েছিলেন। যখন ফলন পাওয়ার কথা তখনই শুরু হয় ঝড়-বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টি। গত কয়েক দিনের লাগাতার বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টির কারণে তাঁর ক্ষেতের সব গাছ মরে গেছে। এতে করে খুব একটা ফলন হয়নি। যেটুকু পেয়েছেন তা বিক্রি করেছেন দুই হাজার ৫০০ টাকা মণ দরে। বগুড়া সদরের পীরগাছা গ্রামের কৃষক জাকিরুল ইসলাম তিন মণ করলা বিক্রি করেছেন দুই হাজার ৬০০ টাকা মণ দরে। যার প্রতি কেজির দাম পড়েছে ৬৫ টাকা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা