kalerkantho

রবিবার । ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৯ নভেম্বর ২০২০। ১৩ রবিউস সানি ১৪৪২

সবজির দামে সুফল পায় না প্রান্তিক কৃষক

স্বপন চৌধুরী, রংপুর   

২৫ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সবজির দামে সুফল পায় না প্রান্তিক কৃষক

মাঠ থেকে শসা তুলে নিয়ে যাচ্ছে কৃষক পরিবার, বিক্রি করা হবে রংপুরের মিঠাপুকুরের হাটে। ছবি : স্বপন চৌধুরী

শীতের রকমারি সবজি উঠতে শুরু করেছে বাজারে। রংপুরে উৎপাদিত সবজি প্রতিদিন ট্রাকযোগে চলে যাচ্ছে দেশের প্রধান কাঁচামালের আড়ত ঢাকার কারওয়ান বাজারসহ বিভিন্ন এলাকার পাইকারি বাজারে। রংপুর শহরসহ আশপাশের এলাকায় আগাম সবজির বেশির ভাগই জোগান দেন গঙ্গাচড়া ও মিঠাপুকুরের কৃষকরা। এখানকার আবাদি জমিগুলো অপেক্ষাকৃত উঁচু হওয়ায় সব ধরনের সবজির উৎপাদন হয়ে থাকে। প্রতিকূল আবহাওয়ায়ও এখানকার কৃষকরা আগাম সবজি উৎপাদন করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। কিন্তু সংরক্ষণ ব্যবস্থা না থাকাসহ স্থানীয় বাজার ব্যবস্থার অভাবে সঠিক পাওনা থেকে বেশির ভাগ সময় বঞ্চিত থাকেন কৃষকরা।

সরেজমিনে মিঠাপুকুরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, মুলা, বেগুন, ফুলকপি, বাঁধাকপি, লাউ, শিম, শসাসহ রকমারি শীতকালীন সবজিতে ভরে গেছে মাঠ। শহরসহ বািভন্ন এলাকা থেকে আসা পাইকাররা ক্ষেত থেকেই এসব সবজি কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। যদিও এ বছর বন্যা-বর্ষণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে পচে নষ্ট হয়েছে অনেক ক্ষেতের সবজি।

মিঠাপুকুরে উৎপাদিত শসা প্রতিদিন ট্রাকযোগে চলে যাচ্ছে ঢাকার কারওয়ান বাজারসহ বিভিন্ন এলাকার পাইকারি বাজারে। উপজেলার বৈরাগীগঞ্জ বাজার ও বলদিপুকুর বাসস্ট্যান্ডে প্রতিদিন সকালে জমজমাট হাট বসে। শসা চাষিরা জানান, সাধারণ ক্রেতারা বাজার থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে শসা কিনলেও উৎপাদনকারী কৃষকরা মহাজনদের কাছে বিক্রি করেন মাত্র ২০ টাকা কেজি দরে। শসা সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকা ও বাজারজাত করার বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় এত কম মূল্যে মহাজনদের হাতে তুলে দিতে হচ্ছে বলে জানান তাঁরা। মমিনপুর এলাকার কৃষক আলাল মিয়া বলেন, বর্তমানে ৬৫ থেকে ৭০ কেজির প্রতি বস্তা শসা বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ২০০ থেকে এক হাজার ৪০০ টাকায়। বাজার অনুযায়ী যা একেবারেই কম।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা