kalerkantho

সোমবার । ১০ কার্তিক ১৪২৭। ২৬ অক্টোবর ২০২০। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

শুল্ক সুবিধা পেলে গাড়ি উৎপাদনে আসবেন উদ্যোক্তারা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৮ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানির মাধ্যমে দেশের স্থানীয় গাড়ির চাহিদা পূরণ করা হয়। এ ছাড়া বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তারা গাড়ির যন্ত্রাংশ আমদানি করে তা দেশে সংযোজন করে সীমিত পরিসরে সরবরাহ করে। এখনো স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে দেশে গাড়ি উৎপাদন সম্ভব হয়নি। তবে দেশে গাড়ি উৎপাদন উৎসাহিত করতে সরকার বিরাজমান সব বাঁধা দূর করতে গাড়ি নীতিমালা চূড়ান্তে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে দেশে গাড়ি উৎপাদনে সব ধরনের শুল্ক, কর, ভ্যাট মুওকফের দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট খাতের উদ্যোক্তারা।

এ বিষয়ে দেশের অন্যতম গাড়ি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান নিটল নিলয় গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ কালের কণ্ঠকে বলেন, এখনো এ দেশের গাড়ির চাহিদা আমদানিনির্ভর।

দেশে ইঞ্জিনসহ সব ধরনের

যন্ত্রাংশ তৈরি করে স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে গাড়ি তৈরি করতে সরকারি সহযোগিতা প্রয়োজন। আশা করি গাড়ি উৎপাদন নীতিমালায় সব বিষয় আনা হবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্র জানায়, বাংলাদেশে ব্যবহৃত ৮৫ শতাংশের বেশি হলো রিকন্ডিশন্ড গাড়ি। উদীয়মান অর্থনীতির কারণে এর চাহিদা রয়েছে।

রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানিকারক ব্যবসায়ীদের সংগঠন বারভিডা সভাপতি আব্দুল হক কালের কণ্ঠকে বলেন, ১৯৮০ সালের দিকে জাপান থেকে একবার ব্যবহৃত মোটরকার, জিপ, স্টেশনওয়াগন, মাইক্রোবাস, ভ্যান, পিকআপ, কোস্টার, মিনিবাস, ট্রাক, লরিসহ বিভিন্ন প্রকার রিকন্ডিশন্ড গাড়ি বাংলাদেশে আমদানি করা শুরু হয়। সাশ্রয়ী মূল্য, টেকসই প্রযুক্তি এবং বাংলাদেশের জন্য উপযোগী হওয়ায় দ্রুত জনপ্রিয়তা পায় এসব গাড়ি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা