kalerkantho

শনিবার । ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৩০  মে ২০২০। ৬ শাওয়াল ১৪৪১

রাজশাহীতে সহজে মিলছে না মাস্ক ও গ্লাভস

রফিকুল ইসলাম, রাজশাহী   

৮ এপ্রিল, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাজশাহীতে সহজে মিলছে না মাস্ক ও গ্লাভস

করোনা ঝড়ে টালমাটাল বিশ্ব। কোথাও যেন স্বস্তি নেই। এ অবস্থায় স্বাস্থ্য সুরক্ষায় রাজশাহীর মানুষ সচেতন হওয়ার চেষ্টা করলেও সহজেই মিলছে না প্রয়োজনীয় সামগ্রী। আবার পেলেও দাম দিতে হচ্ছে দ্বিগুণ বা তার চেয়েও বেশি। নিম্নমানের ১০ টাকা দামের মাস্ক বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা। আবার ১০ টাকা মূল্যের ওয়ানটাইম হ্যান্ড গ্লাভসগুলো বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকায়। অন্যদিকে এই সময়ে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয় হ্যান্ড স্যানিটাইজার তো এখনো সোনার হরিণ। ৭০-৮০ টাকা মূল্যের হ্যান্ড স্যানিটাইজারও কিনতে হচ্ছে ১০০-১২০ টাকা দামে। তা-ও মিলছে না সহজেই।

নগরীর তেরখাদিয়া এলাকার আবুল বাসার বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে একটি হ্যান্ড স্যানিটাইজার খুঁজছি। কিন্তু মোড়ের দোকানগুলোতে নেই। বাজারে দু-একটি দোকান খোলা থাকলেও সেগুলোতেও সহজে পাওয়া যাচ্ছে না। শেষে একটি সুপারশপে গিয়ে ১২০ টাকায় কিনে নিয়ে এসেছি একটা হ্যান্ড স্যানিটাইজার। যা অন্য সময় কেনা যেত ৭০ টাকায়। তবে মাস্ক ও গ্লাভস পাওয়া যাচ্ছে ইচ্ছামতো। কিন্তু সেগুলোর দামও দ্বিগুণ থেকে তিন-চার গুণে গিয়ে ঠেকেছে।’

নগরীর সাহেববাজার এলাকার মাস্ক ব্যবসায়ী হযরত আলী বলেন, ‘একসময় যে মাস্ক বিক্রি করেছি ১০ টাকায়, এখন সেটি ৩০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। কিনতেই হচ্ছে বেশি দামে। তাই বিক্রি করতেও হচ্ছে বেশি দামে। আবার ৪০-৫০ টাকার মাস্ক বিক্রি হচ্ছে ৯০-৯৫ টাকায়।’

আর পারসোনাল প্রটেকটিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই) তো রাজশাহীতে দেখাই মিলছে না। পিপিইর অভাবে এখনো রাজশাহীর অধিকাংশ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ রয়েছে। দু-একটি বড় ক্লিনিকে চিকিৎসকরা রোগী দেখলেও কোনো পরীক্ষা করা হচ্ছে না পিপিই সংকটের কারণে।

জানা গেছে, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকদের মধ্যে যেসব পিপিই দেওয়া হয়েছে, সেগুলো ঢাকা থেকে পাঠানো হয়েছে। এর বাইরে রাজশাহীর কোথাও পিপিই বিক্রি হচ্ছে না।

নগরীর লক্ষ্মীপুরে দেখা হয় একজন ওষুধ বিক্রয় প্রতিনিধির সঙ্গে। জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বের হচ্ছি চিকিৎসকদের দরজা থেকে শুরু করে ওষুধের দোকানগুলোতে। সব জায়গা তো স্বাস্থ্যের জন্য এমনিতেই ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ কে কোন রোগে আক্রান্ত হয়ে আসে বলা মুশকিল। কিন্তু আমাদের জন্যই আমরা পিপিই পাইনি। আবার রাজশাহীর বাজারে কোথাও পিপিই কিনতে পাওয়া যাচ্ছে না বলে ঝুঁকি নিয়েই কাজ করতে হচ্ছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা