kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ২৬ চৈত্র ১৪২৬। ৯ এপ্রিল ২০২০। ১৪ শাবান ১৪৪১

চার দেশের তামার তার আমদানি নিরুত্সাহ ভারতে

বাণিজ্য ডেস্ক   

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে




চার দেশের তামার তার আমদানি নিরুত্সাহ ভারতে

তামার তার রপ্তানিতে কয়েকটি দেশ ভর্তুকি দেওয়ায় তা তুলনামূলক কম মূল্যেই রপ্তানি করতে পারছে ওই দেশের কম্পানিগুলো। এতে ভারতের বাজারে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে স্থানীয় কম্পানিগুলো। তাই এমন চারটি দেশ থেকে তামার তার আমদানিতে অ্যান্টি-সাবসিডি শুল্ক আরোপ করেছে ভারত। ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম থেকে ধাতব পণ্যটি আমদানিতে পাঁচ বছর মেয়াদে এ শুল্ক কার্যকর হয়েছে। ভারতে দেশগুলোর ওই পণ্যের দামের ওপর ভিত্তি করে ২.৪৭ শতাংশ থেকে ১০.২৭ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হয়।

পণ্যটিতে শুল্ক আরোপের আগে ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ট্রেড রেমেডিস (ডিজিটিআর) এ বিষয়ে একটি তদন্ত পরিচালনা করে। তদন্তের ফলের ওপর ভিত্তি করে দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয় এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়। মূলত তামার তার রপ্তানিতে ভর্তুকি প্রদান করে উল্লিখিত চারটি দেশের সরকার। এ দেশগুলো থেকে অপেক্ষাকৃত কম মূল্যে ধাতব পণ্যটি আমদানি করে অভ্যন্তরীণ বাজারে বিক্রি করেন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা, যা দেশীয় শিল্পের জন্য বড় ধরনের হুমকি হিসেবে দেখছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।

এদিকে ভারতে বিদ্যুতায়ন, গাড়িশিল্পের প্রসার ও টেলিকম নেটওয়ার্ক উন্নয়নের বদৌলতে তামার ব্যবহার আগামী আট বছরে দ্বিগুণ হবে বলে জানিয়েছেন অন্যতম তামা কম্পানি বিড়লা কপারের সিইও জে সি লাদহা। চীনের সাংহাইয়ে অনুষ্ঠিত এশিয়া কপার সম্মেলনে তিনি বলেন, ২০২৬ সাল নাগাদ পরিশোধিত তামার চাহিদা দ্বিগুণ হবে। এ সময়ে তামার ব্যবহার বেড়ে হবে ১ দশমিক ৪৩৩ মিলিয়ন টন, যেখানে বর্তমানে তামার চাহিদা ছয় লাখ ৫০ হাজার টন।

তিনি বলেন, ‘এ সময়ে আমার অভিমতের চেয়েও আরো বেশি বাড়তে পারে তামার ব্যবহার। অনেক খাত রয়েছে, যা উল্লেখ করছি না। ফলে সব মিলিয়ে ২০২৬ সাল নাগাদ তামার ব্যবহার হতে পারে ২ দশমিক ৫ মিলিয়ন টন।’

জে সি লাদহা আরো বলেন, সামনের বছরগুলোতে ভারতে তামার চাহিদা খুব দ্রুত বাড়বে। কারণ বড় বড় প্রকল্পগুলোতে তামার ব্যবহার হচ্ছে। যেমন—মেক ইন ইন্ডিয়া প্রচারণায় বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অবকাঠামো উন্নয়নের কারণে তামার বিপুল ব্যবহার হচ্ছে। বিশেষ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিদ্যুতায়নের ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলেও তারের চাহিদা বাড়ছে। সেই সঙ্গে ফোরজি ও ফাইভজি নেটওয়ার্কও তামার তারের চাহিদা তৈরিতে ভূমিকা রাখছে।

তিনি বলেন, স্থানীয় কম্পানিগুলো এ বছর আট লাখ ৪৩ হাজার টন পরিশোধিত তামা উত্পাদন করতে সক্ষম হবে। যদিও চাহিদা থাকবে ছয় লাখ ৪২ হাজার টন। তবে আগামী বছর তামার উত্পাদন কমে হবে চার লাখ ৫০ হাজার টন। যদিও তখন চাহিদা থাকবে সাত লাখ টন। রয়টার্স, ইকোনমিক টাইমস।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা