kalerkantho

শুক্রবার । ২৪ জানুয়ারি ২০২০। ১০ মাঘ ১৪২৬। ২৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

নিরাপদ ও বিশুদ্ধ দুধ নিশ্চিত করতে খামারিদের নিয়ে কাজ করছে স্বপ্ন

সাব্বির হাসান নাসির
নির্বাহী পরিচালক, এসিআই লজিস্টিকস (স্বপ্ন)

১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



নিরাপদ ও বিশুদ্ধ দুধ নিশ্চিত করতে খামারিদের নিয়ে কাজ করছে স্বপ্ন

ভোক্তাদের জন্য নিরাপদ ও বিশুদ্ধ দুধ নিশ্চিত করতে কাজ করছে সুপারশপ ‘স্বপ্ন’। এ নিয়ে কালের কণ্ঠকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে এসিআই লজিস্টিকসের (স্বপ্ন) নির্বাহী পরিচালক সাব্বির হাসান নাসির বলেন, ‘স্বপ্ন এরই মধ্যে একটি প্রকল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছে, যেখানে আমরা সাতক্ষীরার গ্রামে গরু পালনকারী কৃষক ও খামারি নারী-পুরুষদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছি কিভাবে দুধ সংরক্ষণ করতে হয় এ বিষয়ে; যাতে করে দুধে ক্ষতিকর উপাদান না থাকে। এই দুধ আবার যারা প্রক্রিয়াজাত করে, তাদের কাছে যাতে বিক্রি করে কৃষক ভালো দাম পায় সে জন্যও আমরা কাজ করছি। ইতিমধ্যে প্রকল্পটি আমরা শুরু করেছি। আমার মনে হয় এক মাসের মধ্যে ওই দুধের তৈরি পণ্য স্বপ্নে পাওয়া যাবে।

আমরা সাতক্ষীরার গ্রামে গরু পালনকারী কৃষক ও খামারিদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছি কিভাবে দুধ সংরক্ষণ করতে হয় এ বিষয়ে; যাতে করে দুধে ক্ষতিকর উপাদান না থাকে। এই দুধ আবার যারা প্রক্রিয়াজাত করে, তাদের কাছে যাতে বিক্রি করে কৃষক ভালো দাম পায় সে জন্যও আমরা কাজ করছি

এই প্রশিক্ষণ শুধু আমরা একা দিলে হবে না, সরকার, দুধ সংগ্রহকারী ও প্রক্রিয়াজাতকারী—সবই মিলেই করা উচিত। আমরা একটা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেহেতু দুধ সংগ্রহ করি, সেহেতু দুধে ব্যাকটেরিয়া দূষণ হওয়ার কথা না। তবে যেহেতু একজন বিশেষজ্ঞ বলছেন দুধে অ্যান্টিবায়েটিক বা ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে, সে জন্য বিষয়টি নিয়ে আমরা মাঠ পর্যায়ে কাজ করছি। মাঠ পর্যায়ে কৃষক ও খামারিদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছি, যাতে এ দুধে ক্ষতিকর এসব উপাদান না থাকে। ভোক্তা একেবারে বিশুদ্ধ ও খাঁটি জিনিসটি পায়। আমি মনে করি পাস্তুরিত তরল দুধে দূষণ নিয়ে অনেক বেশি বলা হচ্ছে। কিন্তু পুষ্টিচাহিদা পূরণে এ বাজার নিয়ে আমাদের আরো কাজ করা প্রয়োজন।’

দুধ খাওয়া জরুরি বাচ্চাদের জন্য। তাই নিরাপদ ও বিশুদ্ধ দুধের চাহিদা পূরণে সরকারসহ আমাদের সবাইকে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। দেশের দরিদ্র কৃষক থেকে শুরু করে মধ্যম আয়ের একটি বিশাল জনগোষ্ঠী এ শিল্পের সঙ্গে জড়িত। এ খাতে কর্মসংস্থানও বিপুল। তাই পুষ্টিচাহিদা পূরণ ও কর্মসংস্থান—উভয় দিক বিবেচনা করে এ শিল্পের দোষ না ধরে এটিকে আরো বিকশিত ও বড় করার জন্য আমরা কাজ করব। যাতে এ শিল্প টিকে থাকতে পারে।’

অনুলিখন : মুহাম্মদ শরীফ হোসেন

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা