kalerkantho

সোমবার। ২৭ জানুয়ারি ২০২০। ১৩ মাঘ ১৪২৬। ৩০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড

মধ্যবিত্তের নাগালে হীরার গয়না!

২০ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



মধ্যবিত্তের নাগালে হীরার গয়না!

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের কারখানায় সুনিপুণ হাতে অলংকার তৈরি করছেন একজন কর্মী ছবি : মঞ্জুরুল করিম

গয়নার স্পর্শে নারীর সৌন্দর্য পায় নতুন মাত্রা। তাই বিয়ে, সামাজিক আচার-অনুষ্ঠানে নারীর সাজে গয়না থাকবে না—এমনটা ভাবাই যায় না। আর তা যদি হয় পৃথিবীর সবচেয়ে দামি রত্ন হীরার, তাহলে তো কথাই নেই। কিন্তু হীরার গয়না মধ্যবিত্তের সাধ্যের বাইরে—এমন ধারণা বদলে দিয়েছে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড।

‘দি আর্ট অব বিউটি’ স্লোগানে ২০০৫ সালে যাত্রা শুরুর পর ক্রমেই উচ্চবিত্তের গয়নায় স্বল্প আয়ের মানুষকে ক্রেতায় পরিণত করেছে প্রতিষ্ঠানটি। হীরার তৈরি একটি নাকফুলও যাতে মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ কিনতে পারে তার জন্য সাশ্রয়ী দামে পণ্য বিক্রি করছে দেশের ডায়মন্ড গয়নার শীর্ষ প্রতিষ্ঠানটি। রাজধানীর গুলশান-১-এ ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের প্রধান শাখার পাশাপাশি দেশজুড়ে ২৪টি বিক্রয়কেন্দ্র থেকে পাওয়া যাচ্ছে হীরা ও সোনার অলংকার।

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের কর্মকর্তারা জানান, দেশে যখন হীরার ব্যবহার শুরু হয় তখন শুধু ধনাঢ্য ব্যক্তিরাই আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবে সেটি ব্যবহার করতেন। বর্তমানে হীরা আর অভিজাত শ্রেণির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। সাধারণ মানুষের নাগালে চলে এসেছে। দফায় দফায় সোনার দাম বাড়ায় হীরার চাহিদা বেড়েছে। ফ্যাশনপ্রিয় তরুণ-তরুণীদের এখন প্রথম পছন্দ হীরার গয়না। বাগদান অনুষ্ঠানে হীরার আংটি ব্যবহার এখন স্বাভাবিক রীতিতে পরিণত হয়েছে। এ কারণে সোনার পরিবর্তে এখন অনেকেই ঝুঁকে পড়ছেন হীরার গয়নার দিকে।

বর্তমানে দেশের প্রায় সব বড় সোনার দোকানেই হীরার গয়না পাওয়া যাচ্ছে। তবে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড এখন দেশে হীরার গয়নার সবচেয়ে সুপরিচিত নাম। এখানে বিভিন্ন দামের হীরা ও সোনার গয়না রয়েছে। ডায়মন্ড ব্রাইডাল কালেকশন, ব্রিলিয়ান্স কালেকশন, নাকফুল থেকে শুরু করে কানের দুল, আংটি ও গলার চেন, রোজকাট, ব্যাঙ্গেল চুড়ি, রোজকাট কুন্দন কালেকশনসহ ১০ হাজারেরও বেশি কালেকশন রয়েছে। এর মধ্যে হাতের রিংই আছে চার হাজারের বেশি। উচ্চবিত্তের পাশাপাশি মধ্যবিত্তের সামর্থ্যের দিকে খেয়াল রেখেই বিভিন্ন আইটেমের দাম রাখা হয়েছে। মাত্র তিন হাজার টাকায় পাঁচ সেন্টের নোজপিন, সাত পাথরের নোজপিন চার হাজার ৫০০, লকেট সর্বনিম্ন ছয় হাজার, ফিঙ্গার রিং সর্বনিম্ন ১২ হাজার, কানের দুল সর্বনিম্ন ১২ হাজার, পেন্ডেন্ট সেট সর্বনিম্ন ১৯ হাজার, ৪৭ হাজার টাকার মধ্যে নেকলেস সেট (শর্ট নেকলেস)।

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে প্রথম ডায়মন্ড আমদানিকারক বলা হয়। এই উদ্যোক্তা বলেন, ‘দেশীয় বাজারে ডায়মন্ড জুয়েলারির চাহিদা বাড়ছে। শুধু উচ্চবিত্ত নয়, দেশের একটি সাধারণ পরিবারও যাতে একটি হীরার গয়না কিনতে পারে তার জন্য আমরা সব ব্যবস্থা করেছি। এখন একজন মধ্যবিত্ত নারী তিন হাজার টাকা দিয়ে একটা নাকফুল পরতে পারে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা