kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

বিদেশ ভ্রমণের কর দেবেন কিভাবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৩ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিদেশ ভ্রমণের কর দেবেন কিভাবে

বিদেশ ভ্রমণ করলে দেশ ত্যাগের সময় সরকারকে ভ্রমণ কর দিতে হয়। যাত্রাপথের ওপর নির্ভর করে ভ্রমণ করের পরিমাণ ভিন্ন হয়। আকাশ ও নৌপথে ভ্রমণ কর টিকিটের সঙ্গেই যুক্ত থাকে। ফলে আলাদা করে তা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। স্থলপথে বিদেশ ভ্রমণে এ করের পরিমাণ ৫০০ টাকা। ভ্রমণ কর স্থলবন্দরের ভ্রমণ কর বুথে বা আগে থেকেই সোনালী ব্যাংকের নির্ধারিত শাখায় জমা দিতে হয়। তবে অনেকে ঝামেলা এড়াতে যাত্রা শুরুর আগেই ভ্রমণ কর পরিশোধ করেন। কারণ এতে বর্ডারে ভ্রমণ কর দেওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়াতে হবে না।

এখন স্থলপথে ভারতেই বেশির ভাগ যাত্রী যাতায়াত করেন। এর বাইরে নেপাল ও মিয়ানমারে সামান্য কিছু যাত্রী যান। বছরে কতজন স্থলপথে যাতায়াত করেন, সেটির সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরে নেই। তবে বেনাপোল কাস্টম হাউসের তথ্য অনুযায়ী, ওই স্থলবন্দর দিয়ে প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ হাজার বাংলাদেশি যাত্রী ভারতে যান। তাঁদের বড় অংশ চিকিত্সার জন্য যান। বর্তমানে যেকোনো স্থলপথে ভ্রমণের ক্ষেত্রে প্রত্যেক যাত্রীর কাছ থেকে নির্ধারিত ৫০০ টাকা আদায় করা হয়।

চালানের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকের মতিঝিল, নিউ মার্কেট, সদরঘাট, দিলকুশা, কারওয়ান বাজার ও ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট করপোরেট শাখায় ভ্রমণ কর দেওয়া যায়। ভ্রমণ কর দেওয়ার সময় অবশ্যই সঙ্গে পাসপোর্ট নিতে হবে।

সোনালী ব্যাংক যাত্রীদের বিদেশ ভ্রমণের করের অর্থ পরে সরকারি কোষাগারে জমা দেয়। ভ্রমণ কর আইন-২০০৩ অনুযায়ী, আকাশ, নৌ ও স্থলপথে বিদেশ যাওয়ার সময় যাত্রীদের দেশওয়ারি নির্ধারিত পরিমাণ কর দিতে হয়। তবে ৯৮ শতাংশ ভ্রমণ কর আসে আকাশপথের যাত্রীদের কাছ থেকে। এনবিআর সূত্র জানায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মোট ভ্রমণ কর আহরণ হয়েছে প্রায় এক হাজার ২০০ কোটি টাকা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা