kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

অটোমেশন ও নজরদারি দরকার

সৈয়দ আমিনুল করিম, সাবেক সদস্য (আয়কর নীতি), এনবিআর

১৩ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অটোমেশন ও নজরদারি দরকার

আয়কর মেলা ও কর সংস্কৃতির নানা বিষয়ে কালের কণ্ঠ’র সঙ্গে কথা বলেছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, এনবিআরের আয়কর নীতি শাখার সাবেক সদস্য সৈয়দ আমিনুল করিম। তিনি বলেন, আয়কর মেলার মধ্য দিয়ে গেল ১০ বছরে মানুষকে ইতিবাচক সেবা দেওয়া গেছে। করদাতাদের মধ্যে ভীতি কমানো গেছে। তবে এখনো কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় করদাতাকে করজালের ভেতরে আনা যায়নি। কর আদায়ে সে রকম হারে প্রতিফলন নেই।

গেল ১০ বছরে মানুষকে ইতিবাচক সেবা দেওয়া গেছে। করদাতাদের মধ্যে ভীতি কমানো গেছে। তবে এখনো কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় করদাতাকে করজালের ভেতরে আনা যায়নি। কর আদায়ে সে রকম হারে প্রতিফলন নেই

মানে সেবাটা স্বল্প সময়ের জন্য দেওয়া হচ্ছে। মেলার পর কর অঞ্চল ও জোনে সেবার মান ধরে রাখা যায়নি। তা ছাড়া আয়কর মেলায় করদাতারা রিটার্ন দাখিল করলেও তাঁদের তাত্ক্ষণিকভাবে আয়কর সার্টিফিকেট দেওয়া যাচ্ছে না। এতে করে কর সার্কেলে গিয়ে তাঁদের আগের মতোই জটিলতায় পড়তে হচ্ছে সার্টিফিকেটের জন্য। এটি কমানো প্রয়োজন।

টিআইনের তুলনায় এখনো রিটার্ন দাখিল কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় জমা পড়ছে না। যারা রিটার্ন দিচ্ছে না, অটোমেটেড তাদের নামে চিঠি চলে যাওয়ার কথা। সেটা হচ্ছে না। একটি স্ট্রোল ডাটাবেস থাকার কথা, যেখানে টিআইএনধারীর তথ্য থাকবে, যারা রিটার্ন দিচ্ছে না তাদের কাছে চিঠি যাবে। একটা নজরদারি থাকবে। সেটাও বাস্তবায়ন হচ্ছে না। অটোমেশন পুরোপুরি হচ্ছে না। অনলাইনে যে পাঁচ-ছয় লাখ রিটার্ন জমা হয়, তাও সন্তোষজনক নয়। মানুষ এখনো ঝুঁকিপূর্ণ মনে করে এটিকে। তাদের মধ্যে ভীতি আছে। সেন্ট্রাল প্রসেসিং সেন্টার করার কথা অনেক বছর ধরেই। সেটারও বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। রিফান্ড পেতে সময় লাগছে। এসব কাজ আরো সয়ংক্রিয়ভাবে করতে হবে। না হলে করদাতারাও ফাঁকি দেবে, তাদের জন্য যে সেবা দেওয়া দরকার তাও কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় দেওয়া যাবে না। গতানুগতিক কর আহরণ সংস্কৃতির উন্নতি না হলে রাজস্ব আয়ের যে লক্ষ্য, তা বাস্তবায়ন কঠিনই থাকবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা